1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম শিক্ষা কমপ্লেক্সে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের আবেদন, প্রকাশ্য প্রতিবেদন - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
চকমিরপুরকে মাদকমুক্ত ও আদর্শ মডেল ইউনিয়ন করার প্রত্যয় চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহেলের ফলজ বাগান ধ্বংসের ঘটনায় উদ্বেগ, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চাইল নাগরিক পরিষদ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুর অংশগ্রহণে পদ্মা আবাসিক এলাকায় গাছের চারা রোপণ গোপালগঞ্জে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এর নেতৃত্বে ১৬ জন আওয়ামী লীগ নেতার দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করে সংবাদ সম্মেলন আশুলিয়ায় বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে গিয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু উখিয়ার পালংখালীতে চলাচলের রাস্তা বন্ধ ও বসতবাড়ি দখলের অভিযোগ সবুজের বার্তা ছড়িয়ে লালমনিরহাটে ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কটুক্তি প্রতিবাদ সমাবেশ গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে লালমনিরহাটে জামায়াতের গণমিছিল ঐতিহ্যবাহী  লাউতা ইউনিয়নে তরুণদের আস্থার প্রতীক  চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সাদিক হোসনে এপলু 

চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম শিক্ষা কমপ্লেক্সে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের আবেদন, প্রকাশ্য প্রতিবেদন

reporter শফিকুল ইসলাম, জামালপুর 
calendar প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৫, ১:৪৯ অপরাহ্ণ

১৯ অক্টোবর  চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম শিক্ষা কমপ্লেক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ মোঃ রফিকুল ইসলাম সম্প্রতি একটি সংবেদনশীল ও উদ্বেগপ্রকাশী চিঠির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে পরিকল্পিতভাবে নষ্ট ও ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে এলাকাবাসী ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তিনি জানান—১৯৯২ সালে পৈত্রিক সম্পত্তি দানের মাধ্যমে বহুমুখি শিক্ষাসেবা চালু করার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন; এরপর থেকে কমপ্লেক্সটি মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষা, জেনারেল শিক্ষা ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত একাধিক কোর্স চালু করে এলাকার শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি বিশাল প্রভাবশালী কেন্দ্রে রূপান্তরিত করেছে।

প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ও অর্জন,প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে রয়েছে—মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং জেনারেল শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদিত কোর্সসমূহ,চারবছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল ও পলিটেকনিকের বিভিন্ন শাখা, বিএম কোর্সের একাধিক বিভাগ, দুইটি ভোকেশনাল শাখা, এবং দাখিল-আলিমসহ জেনারেল শাখা; মোট মিলিয়ে প্রায় ২০০ জনেরও বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এখানে কর্মসংস্থান লাভ করেছেন; প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ২৫ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী পাবলিক পরীক্ষার সনদ অর্জন করে দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থান ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছেন; সুষ্ঠু পড়াশোনা, পর্যাপ্ত অবকাঠামো, নিরাপত্তা ও পরীক্ষার কেন্দ্র অনুমোদনসহ অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত রয়েছে; ফলে অন্যান্য কোর্সগুলোর ফলাফলও সন্তোষজনক (আলহামদুলিল্লাহ)।

সমস্যার মূল কথা, অধ্যক্ষ অধ্যক্ষ মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, জেনারেল কলেজটি নন-এমপিও হওয়ায় ভর্তি সংকট ও আর্থিক অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক-কর্মচারীরা নিয়মিত বেতন-পাওনা পাচ্ছেন না। ফলে ক্লাস পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে, ভাল ছাত্র-ছাত্রী কমে আসছে এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও রেজাল্টে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

তারপরও, কিছু زمত্র (সামাজিক ও রাজনৈতিক) স্বার্থান্ধ ব্যক্তি ও গুচ্ছবদ্ধ গ্রুপ কর্তৃক প্রতিষ্ঠানটির ভ্রম্যাদিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে কুপ্রচেষ্টা, বিভ্রান্তিমূলক মন্তব্য ও অনধিকার চর্চা চলমান — যা শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক সমাজে ভীতি ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। অধ্যক্ষ অভিযোগ করেন যে এই সব অপপ্রচার ও অনৈতিক কার্যকলাপ প্রতিষ্ঠানটির শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করছে এবং প্রতিষ্ঠানের উপর অযথা স্থায়ী কলঙ্কস্হাপন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

অধ্যক্ষের আহ্বান ও দাবি, অধ্যক্ষ মোঃ রফিকুল ইসলাম সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত বিবৃতিতে বলেন, “এই প্রতিষ্ঠান আমার অনশন, দেহপরিশ্রম ও সচ্ছল পরিবারিক ত্যাগে প্রতিষ্ঠিত। আমরা এখানে বহু প্রতিভাবান ছেলেমেয়েকে পাঠিয়েছি—আজ তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্মানজনক অবস্থানে আছেন। যারা অনধিকারভাবে, স্বার্থান্বেষণে ও হীন মানসিকতায় এখানে প্রভাব বিস্তার বা অপমর্যাদা ছড়াচ্ছে—তারা যেন আইনের আওতায় নিয়ে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”

তাঁর বক্তব্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল,অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কথিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা; নন-এমপিও জেনারেল কলেজকে এমপিওভুক্ত করতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সহায়তা প্রদানের আহ্বান; ছাত্র-শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে পাঠদানের স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা পুনরুদ্ধার;প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষা বোর্ড ও প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ।

এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের উদ্বেগ, প্রতিষ্ঠানটি বহু বছর ধরে এলাকার শিক্ষাসেবা প্রদানে ভূমিকা রাখায় এলাকাবাসী, সাবেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উদ্বেগ ব্যক্ত করেছেন। তারা বলেন—শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি রক্ষা করা উচিত এবং অনুপ্রবেশকারী কুপ্রবৃত্তিসম্পন্ন ব্যক্তিদের হাত থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠাণকে নিরাপদ রাখা জরুরি। অনেকেই দাবি করছেন, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিলে ভবিষ্যতে অনুরূপ ঘটনা রোধ করা যাবে।

পরবর্তী করণীয় ও প্রশাসনের দৃষ্টিপাত কামনা, অধ্যক্ষের আবেদন সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরে আনার উদ্দেশ্যে প্রেরিত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, জেলা শিক্ষা অফিস এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে অধ্যক্ষ স্পষ্টভাবে দ্রুত তদন্ত ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন।

প্রতিষ্ঠানটি একটি বহুমুখী শিক্ষাকেন্দ্র — যেখানে মাদ্রাসা, কারিগরি ও জেনারেল শিক্ষার সমন্বয় ঘটেছে; তাই এর স্বাভাবিক কার্যক্রম বিঘ্নিত হলে ছাত্র-শিক্ষক উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন—এটি এলাকাবাসীর জন্যও একটি বড় ক্ষতি হবে। সুতরাং, আমরা স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাই — ত্বরিত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ করুন, যাতে প্রতিষ্ঠানের সুনাম পুনরুদ্ধার ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষা করা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com