লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে সিএনজি অটোরিকশা ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে এক স্কুলশিক্ষার্থীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকায় পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক ৮টা ১০ মিনিটের দিকে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের সাদারঘর শাহী সিএনজি পাম্পের প্রায় ২০০ গজ পূর্ব পাশে নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজি অটোরিকশা চন্দ্রগঞ্জ বাজারের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে ঢাকাগামী একটি প্রাইভেটকার এসে সিএনজিটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, প্রাইভেটকারটি নিজ লেনের পরিবর্তে বিপরীত পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় সিএনজি অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং প্রাইভেটকারটির সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে সিএনজি চালক মিজান (৬০), পিতা—মৃত শফিউল্লাহ, সাং—খরিয়াচক্রসহ দুই স্কুলশিক্ষার্থী ও একজন সাধারণ যাত্রী আহত হন।
আহত দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে ফরহাদ হোসেন জনি (১৫) চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের আসলাম গাছি বাড়ির মো. ফারুকের ছেলে। অপর শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রোহান (১৫) একই গ্রামের নোয়াবাড়ির সালাউদ্দিন স্বপনের ছেলে।
আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে স্কুলশিক্ষার্থী ফরহাদ হোসেন জনির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি জব্দ করে হাইওয়ে থানা হেফাজতে নেয়। পরে পুলিশ সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।