সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ১নং রুস্তমপুর ইউনিয়নের বীর মঙ্গল হাওরে সম্প্রতি ফুটেছে নতুন শাপলা বিল। লাল–সাদা শাপলার সমাহার, শান্ত জলরাশি এবং হাওরের হালকা বাতাস প্রকৃতির প্রেমীদের মনকে মুগ্ধ করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিগুলো ভাইরাল হওয়ার পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা ছুটে আসছেন এই অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে।
শাপলার সমাহারের মাঝেই দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, যারা আকাশে নাচে এবং হাওরের জলরাশিতে ছায়া ফেলে। বিলের পাশে স্থানীয় কৃষকরা চাষ করেছেন ফরাস, লালশাক, মিষ্টি কুমড়া সহ নানা শাক-সবজি। এই সবুজ চাষভূমি এবং শাপলার রঙিন সমাহার এক অপূর্ব শান্তি ও প্রশান্তি প্রদান করে।
পর্যটকরা জানান, শাপলা বিলের সৌন্দর্য, হাওরের প্রশান্তি এবং স্থানীয় মানুষের আন্তরিকতা তাদেরকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দিয়েছে। একজন পর্যটক বলেন, যদিও রাস্তা কাঁচা, তবে এখানে এসে মন শান্ত হয়ে যায়।
বীর মঙ্গল শাপলা বিলে পৌঁছানোর জন্য জনপ্রিয় চারটি পথ রয়েছে—গুরকচি বাজার, পীরের বাজার, আহারকান্দি স্ট্যান্ড ও মনরতল বাজার হয়ে। যদিও এই পথগুলো সুন্দর, কিছু কাঁচা ও অসমান রাস্তা পর্যটকদের জন্য কিছুটা অসুবিধার সৃষ্টি করছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, প্রশাসন দ্রুত রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করবে।
বিলের নৌকা ভাড়া মাত্র ২০০–৩০০ টাকায়, যা অন্যান্য জায়গার তুলনায় অত্যন্ত সাশ্রয়ী। বিলের পাশেই রয়েছে বীর মঙ্গল হাওর বাজার, যেখানে পর্যটকরা স্থানীয় খাবার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সুলভ মূল্যে কিনতে পারেন।
শাপলা বিল ছাড়াও আশপাশে আরও কিছু পর্যটন স্পট রয়েছে, যা গোয়াইনঘাটকে দ্রুতই প্রকৃতি–প্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুদের জন্য নতুন গন্তব্যে পরিণত করছে। শাপলা বিল শুধু রঙিন শাপলার সমাহার নয়—এটি প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের অন্তর্গত সম্পর্কের এক মূর্ত রূপ। এখানে এসে পর্যটকরা শুধু চোখে নয়, মনে ও আত্মায়ও প্রশান্তি অনুভব করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক || মোঃ সাহিদুর রহমান টেপা || সহযোগী সম্পাদক || নাজনীন সুলতানা || ব্যবস্থাপনা সম্পাদক || নওয়াজিস তাহনুন চন্দন || সহকারী সম্পাদক || ডা. শরিফুল হক প্রিয়ম || প্রধান নির্বাহী সম্পাদক || এস এম. জহিরুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: টেপা কমপ্লেক্স: ১৬৯/ক, এস এস নজরুল ইসলাম সারণী পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০ || বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৪৮ বিজয় নগর (৩য় তলা) ঢাকা -১০০০ || যোগাযোগ: ই-মেইল: ghoshonanews2024@gmail.com
দৈনিক ষোষণা