গাইবান্ধা জেলার সদর উপজেলা সম্প্রতি গাইবান্ধা জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক সম্রাট গ্রেপ্তার হন মাদকসম্রাট মেহেদী হাসান পাপুল পিতা মোঃসোনা মিয়া সাং চকমামরোজপুর থানা গাইবান্ধা সদর সে অল্প কিছুদিন পূর্বে গাইবান্ধা ডিবির বিশেষ অভিযানে মাদক সহ গ্রেপ্তার হন, গ্রেফতারের কিছুদিন পূর্বেই বিজ্ঞ আদালত হইতে জামিল লাভ করার পরেই মরিয়া উঠেছেন সাংবাদিকদের প্রতি, ইতিমধ্য ইলেকট্রিক মিডিয়ার, সোশ্যাল মিডিয়ায়, প্রিন্ট মিডিয়ায়, অনলাইন পোর্টালে মেহেদী হাসান পাপুলসহ তার সহযোগীদের নিয়ে সম্প্রতি সময়ে সংবাদ পরিবেশন হইলে কারাগার থেকে বের হয়ে মরিয়া উঠেছেন সাংবাদিকদের কে হত্যার উদ্দেশ্যে, এবংনানান ধরনের কৌশল অবলম্বন করিয়া হাতে ছোড়া নিয়ে গণমাধ্যম কর্মীদেরকে হত্যার উদ্দেশ্যে গাইবান্ধা সদরসহ নিজ এলাকায় ঘোরাফেরা করতে থাকে, দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার জেলার প্রতিনিধি মোঃমাহমুদুল হাবিব রিপনকে কথিত মাদকসম্রাট মেহেদী হাসান পাপুলসহ অজ্ঞাত কিছু ব্যক্তি গত ১৪/৮/২৬ ইং তারিখে সকাল অনুমান ৮ঃ৩০ ঘটিকার সময় কৌশল অবলম্বন করিয়া দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার প্রতিনিধিকে বড়দহ ঘাট জামে মসজিদ সংলগ্ন ডেকে নিয়ে যান এক পর্যায়ে সংবাদ প্রকাশের কথা মেহেদী হাসান পাপুল উল্লেখ করিয়া স্বদেশ বিচিত্রা প্রতিনিধিকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো ছোড়া দিয়ে শরীরে আঘাত করার চেষ্টা করিলে সাংবাদিক আত্ম রক্ষার জন্য চিৎকার করিলে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিককে উদ্ধার করেন এবং বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। উল্লেখ্য যে, উক্ত মাদকসম্রাট গত ১৫ জুলাই ফুলছড়িতে ইয়াবা ট্যাবলেট সহ গ্রেপ্তার হন ফুলছড়ি থানার মামলা নং১১ অথচ কিছুদিন পূর্বে মাদকসম্রাট জেল থেকে বের হয়েই আরো মরিয়া হয়ে উঠেছেন ফুলছড়ি সহ গাইবান্ধা জেলার আনাছে-কানাচে সাংবাদিকদের কে হত্যা করার জন্য বিভিন্ন ধরনের পায়েতারা করে আসিতেছে। এ বিষয়ে দৈনিক বিচিত্রার জেলা প্রতিনিধি মোঃ মাহমুদুল হাবিব রিপন গত ১৪ই আগস্ট গাইবান্ধা সদর থানায় একটি সাধারণ জিডি আনায়ন করেন। গাইবান্ধা সদর থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন এএসআই সুমনকে জিডি তদন্তভার অর্পণ করেন, লক্ষ্য নিয়ে বিষয় যে ১৪ই আগস্ট রাত্রি ৮:০০ টার দিকে মাদকসম্রাট তার সহযোগিদেরকে লইয়া পুনরায় সাংবাদিকের বাড়িতে যান এবং জানালা দরজা ভাঙার চেষ্টা করেন। ভয়ে ভীত হইয়া সাংবাদিক সাহেব ঘর থেকে বের না হয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীদেরকে বিষয়টি রাত্রিতেই অবগত করেন এবং সহযোগিতা কামনা করেন , এ বিষয়ে সাংবাদিক মহলের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, অতি শীঘ্রই সাংবাদিকদেরকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন, হুমকি বন্ধ করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গাইবান্ধা সাংবাদিক সমাজ।