1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
কোম্পানীগঞ্জে শাহ আরেফিনের জব্দ পাথর লুট: মূল হোতা মাদক সম্রাট সোহেল - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
ঈদগাঁও কলেজ গেইট এলাকায় র‍্যাবের অভিযান: ২ লাগেজ ভর্তি গাঁজাসহ আটক ২ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ পেয়েছেন ভেড়ামারার কৃতিসন্তান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. বুলবুল আবু সাঈদ শামীম ভাড়া করা লোক দিয়ে চলছে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করার মিশন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে মোবাইল কোর্ট হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারে দুই পরিবহনকে জরিমানা, ৪টি হর্ন জব্দ করে ধ্বংস বরগুনায় পুলিশের বিশেষ অ’ভিযান, বিপুল পরিমাণ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ আ’টক ২ রামুতে পিকআপে মিলল বিদেশি পিস্তল-গুলি, চালক গ্রেপ্তার গোলাপগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি গাড়ি হারবাংয়ে বন্যার্তদের মাঝে জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ আল ফারুকের কাপড় বিতরণ নেলসন ম্যান্ডেলা স্মৃতি সম্মাননা পেলেন মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ – আবদুল্লাহ আল মামুন ময়মনসিংহে নৌযান শুমারি-২০২৬ বিষয়ক অবহিতকরণ সেমিনার অনুষ্ঠিত

কোম্পানীগঞ্জে শাহ আরেফিনের জব্দ পাথর লুট: মূল হোতা মাদক সম্রাট সোহেল

reporter ইসমাইল খান নিয়াজ, সিলেট ব্যুরো
calendar প্রকাশিত: ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৬ অপরাহ্ণ

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার শাহ আরেফিন টিলায় টাস্কফোর্সের অভিযানে জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ পাথর লুটের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের ‘সোর্স’ হিসেবে পরিচিত এস. কে. সুহেলের নেতৃত্বে প্রায় ১০ হাজার ঘনফুট পাথর সরিয়ে ফেলার খবর পাওয়া গেলেও এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্যে সৃষ্টি হয়েছে ধোঁয়াশা। একে অপরকে দায়ি করে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন।

গত ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈকত রায়হানের নেতৃত্বে শাহ আরেফিন টিলায় এক অভিযান চালানো হয়। অভিযানে অবৈধভাবে উত্তোলিত ৯৬ হাজার ৮০০ ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়। জব্দকৃত পাথরগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্থানীয় ১নং পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট মেম্বারের জিম্মায় রাখা হয়েছিল। তবে পাথর জিম্মায় দেওয়ার মাত্র ২৪ ঘণ্টা পার হতে না হতেই শুক্রবার রাতেই শুরু হয় লুটের মহোৎসব।

পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত এস. কে. সোহেল রাতের আঁধারে জিম্মায় থাকা পাথর থেকে আনুমানিক ১০ হাজার ঘনফুট পাথর ট্রাকযোগে সরিয়ে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছেন। সরকারি সম্পদ এভাবে চুরির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

পাথর লুটের বিষয়ে জানতে চাইলে ১নং পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াদ আলী বলেন, “আমি পাথর লুট হওয়ার খবর শুনেছি। বিষয়টি আমি তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাহেবকে জানিয়েছি।”

তবে চেয়ারম্যানের এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিন মিয়া। তিনি বলেন, “জব্দকৃত পাথরগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য চেয়ারম্যান ও মেম্বারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছিল। পাথর চুরির বিষয়ে ওনারা (চেয়ারম্যান-মেম্বার) এখন পর্যন্ত আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানাননি।”

এদিকে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নূর মিয়া দায় ঝেড়ে ফেলে বলেন, “ম্যাজিস্ট্রেট পাথরগুলো স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জিম্মায় দিয়ে এসেছেন। এগুলোর হিসাব তারাই বুঝবেন। আমরা শুধু আইনগত সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়েছি। পাথর আমাদের জিম্মায় নেই। কোনো কিছু চুরি হলে তারা কর্তৃপক্ষকে জানাবে এবং ব্যবস্থা নেবে। এখানে আমাদের কিছু করার নেই।”

প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে জব্দ করা পাথর জনপ্রতিনিধিদের জিম্মায় থাকা অবস্থায় কীভাবে লুট হয়, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে পুলিশ সোর্স হিসেবে পরিচিত সুহেলের এই দুঃসাহসিক চুরির পেছনে কোনো প্রভাবশালী মহলের ইন্ধন রয়েছে কি না, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। স্থানীয়রা দ্রুত এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং সরকারি সম্পদ লুণ্ঠনকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com