1. [email protected] : Ghoshana Desk :
  2. [email protected] : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. [email protected] : Masud Khan : Masud Khan
কালিয়াকৈরে কাজী অফিসের অনিয়মে দুই সংসারে ভাঙনের আশংকা - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
বিরলে গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনা আত্মহত্যা বলে প্রচারের অপচেষ্টা রামগড়ে ৪৫৬পরিবার পেলো ফ্যামিলি কার্ড বিরলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইজিবাইক চালকের মৃত্যু আগৈলঝাড়ায় ওয়ার্ল্ড কনসার্নের আর্থিক সহায়তা পেল ১৮৯ শিক্ষার্থী নড়াইলে টিকটককে কেন্দ্র করে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন!অভিযুক্ত স্বামী লিমন আটক বিরলে এক যুবকের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার মাদ্রাসায় শিশু যৌন নির্যাতন: বিচারের পাশাপাশি দরকার প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার চাকরি প্রার্থীদের জন্য রেইজ প্রকল্পের ফেনীতে চাকরি মেলা ও শিক্ষানবিশ সমাবেশ কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারে রেশনের চাল বিক্রির অভিযোগ,  প্রশ্নের মুখে সিনিয়র জেল সুপার মোহনপুরে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ উদ্বোধন

কালিয়াকৈরে কাজী অফিসের অনিয়মে দুই সংসারে ভাঙনের আশংকা

reporter শাহাদাৎ হোসেন সরকার
calendar প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌর এলাকার কাজী অফিসগুলো দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে আবারও আলোচনায়। যথাযথ যাচাই-বাছাই না করেই একটি দ্বিতীয় বিবাহ নিবন্ধন করায় দুইটি পরিবারের স্বাভাবিক জীবন চরম সংকটে পড়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।

কাজী অফিসের অসতর্কতা ও তথ্য গোপন রাখার কারণেই আজ তাদের সংসারে দেখা দিয়েছে ভাঙনের আশঙ্কা, পারিবারিক কলহ ও মানসিক যন্ত্রণা। জানা গেছে, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের হাফিজারের ছেলে তাহের (৩৮) ও একই এলাকার মৃত শেখ সাদীর মেয়ে শারমীন (৩৫)-এর ১৬ বছর আগে বিবাহ হয়। তাঁরা দুজনেই গাজীপুরের ইকোটেক্স নামক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন এবং তাঁদের সাত বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

কিন্তু ২০২৫ সালে হঠাৎ করেই প্রথম স্ত্রী ও সন্তান রেখে একই ফ্যাক্টরিতে কর্মরত খলিলের মেয়ে খাদিজার সাথে দ্বিতীয় বিয়ে করেন তাহের।ভুক্তভোগী প্রথম স্ত্রী শারমীন বলেন, “আমার স্বামীকে দাওয়াত দিয়ে বাসায় নিয়ে খাদিজা চক্রান্তের মাধ্যমে বিয়ে করে। আমি জানতাম না যে তাঁরা বিয়ে করছেন।

১৬ বছরের সংসার, সাত বছরের মেয়ের ভবিষ্যৎ কী হবে? আমি আগের মতো আমার সংসার ও স্বামী ফিরে পেতে চাই।”সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, কাবিননামায় কালিয়াকৈর পৌর ২ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাজী ইসমাইল হোসেনের সিল ও স্বাক্ষর রয়েছে। অপরদিকে, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ‘ওয়াহেদ কাজী’ নামের সাইনবোর্ডযুক্ত অফিসে খাদিজা ও তাহেরের বিয়ে নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

কিন্তু সেখানে ওয়াহেদ কাজী না থাকলেও রশিদ নামের আরেক ব্যক্তি বিয়ে পরানোর ব্যবস্থা করেন। রশিদ নিজেকে গার্মেন্টস কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন; ফোনে সাংবাদিক পরিচয় দিলে তিনি কথা না বলে ফোন কেটে দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দ্বিতীয় বিয়ের সময় তাহের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি প্রকাশ্য হলে উভয় পরিবারের মধ্যে শুরু হয় তীব্র বিরোধ।এতে স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানসহ পরিবারের সদস্যরা চরম সামাজিক ও মানসিক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।

এ বিষয়ে কালিয়াকৈর পৌর কাজী অফিসের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী মনে করছেন, বিবাহ নিবন্ধনে আইনগত প্রক্রিয়া ও তথ্য যাচাই আরও কঠোর করা জরুরি।

তারা বলেন, “যদি কাজী অফিস নিয়ম মেনে সব তথ্য যাচাই করত, তাহলে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটত না।” উভয়পক্ষ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com