1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
কাঠ ব্যাবসায়ীর ছেলে এপিএস মিজান; কয়েক শত কোটি টাকার মালিক - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী  মিড ডে মিল কোন অনুগ্রহ নয়, এটি প্রতিটি শিশুর অধিকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সঞ্জয় গুপ্ত দ্বিতীয়বার হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি নির্বাচিত চকরিয়া শেভরণ হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যু: চার দিন পর চিকিৎসকের ‘নাটকীয়’ ব্যাখ্যা, প্রশ্নের মুখে লাইসেন্স-অনুমোদন স্মার্ট ও দুর্নীতিমুক্ত পৌরসভা গড়তে ‘মাই ফেনী’ অ্যাপের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কাপ্তাইয়ের ব্যাঙছড়ি সড়ক সংস্কারের দাবিতে এলাকাবাসীর ক্ষোভ রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নানিয়ারচর উপজেলা বিএনপির শুভেচ্ছা সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে ধলাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন: ৭০ বারকী নৌকা ধ্বংস, আটক ২ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়নে ফিজিবিলিটি স্টাডি শুরু গৌরনদী রহমানিয়া কুরআন ক্যাডেট মাদ্রাসার সবক প্রদান অনুষ্ঠান

কাঠ ব্যাবসায়ীর ছেলে এপিএস মিজান; কয়েক শত কোটি টাকার মালিক

reporter নিজস্ব প্রতিবেদক
calendar প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১:৪০ অপরাহ্ণ

লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহম্মেদের এপিএস মিজান জিরো থেকে কয়েকশত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তার পুরো নাম মিজানুর রহমান। ঘুষের টাকায় অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন।  তিস্তা নদীর পাশে অবৈধভাবে তৈরি করেছেন বালু মহাল।রয়েছে নামে বেনামে ব্যাংক ব্যালেন্স। মালিক হয়েছেন শত একর জমির। বিদেশেও পাচার করেছেন বিশাল অংকের টাকা। ঘুষের টাকায় আমেরিকায় বিলাসবহুল ফ্লাট কিনেছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে।
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা মহিষখোঁচা ইউনিয়নের বাসিন্দা বাবা নজরুল ইসলাম ছিলেন কাঠ ব্যবসায়ী। ছিলেন বিএনপি নেতা। তবে মিজান কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির সুবাদে হয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর এপিএস। দীর্ঘ ৯ বছর ধরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়টিকে বানিয়েছিলেন দুর্নীতির আখড়া।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশ থেকে পালিয়ে এখন অবৈধভাবে ঘুষের টাকার কেনা আমেরিকায় বিলাসবহুল ফ্লাটে স্ত্রী তমা ও তার সন্তানসহ আছেন মিজান।  দুর্নীতির যেন শেষ নাই মিজানের। লালমনিরহাটের কাকিনার বানিনগরে তার শশুরবাড়ি। শশুর আবু তালেব ছিলেন অল্প সম্পদের মালিক। এখন রয়েছে তার প্রায় শত বিঘা জমি। রয়েছে ব্যাংক ব্যালেন্স। মিজানের স্ত্রী তমা এলাকার ফার্স্ট লেডি বলে পরিচিত। স্ত্রী তমাকে দিয়েছেন গাড়ি, আমেরিকায় বাড়ি। কালীগঞ্জের কাকিনা মহিপুর এলাকায় মিজানের স্ত্রী তমার গাড়িতে পাচার করা হতো মদ, ফেনসিডিলসহ মাদক। গাড়ি তল্লাশি করায় ছিল না কোনো পুলিশের সাধ্যবন্ধকতা। এ সুবাদে প্রতিদিন সেই গাড়িতে পাচার করা হতো মাদক। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ গাড়িটি আটক করে ডিবি পুলিশ। মন্ত্রীর এপিএস মিজানের স্ত্রীর গাড়ি হওয়ায় পুলিশ বিষয়টি পাশ কাটিয়ে মামলাটি ভিন্নভাবে দায়ের করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, এপিএস মিজানের শ্যালক মাদক নিয়ন্ত্রণ করতো।
গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, এপিএস মিজানের ক্যাশিয়ার বলে পরিচিত রেল কর্মচারী জাকির হোসেন। এ ছাড়াও সোনা পাচারের  ব্যবসা রয়েছে। এই সোনা পাচারে তার পাটনার রয়েছে মহিষখোচা কলেজের শিক্ষক সেফাউল। অভিযোগ রয়েছে, মিজান প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গেও জড়িত ছিল। তার সহযোগী ছিলেন প্রশ্ন চক্রের হোতা এমডি মিজান।
অভিযোগ উঠেছে, মিজান অনামিকা ট্রেডার্স এর নামে মহিষখোচা তিস্তা বাঁধ নির্মাণে ১০ কোটি টাকার কাজ জোর করে টেন্ডারে নিয়ে নিম্নমানের কাজ করেন। যা ৬ মাসেই লণ্ড ভণ্ড হয়ে পড়ে। জানা গেছে, সুইস ব্যাংকেও বিপুল অর্থ রয়েছে তার।
সরেজমিন আদিতমারীর মহিষখোচা গ্রামে গেলে গ্রামবাসীরা জানান, মিজান শত শত কোটি টাকার মালিক। তার বাপের জমি নদীতে ভেঙে যায়। তাদের তেমন কিছু ছিল না। এখন অঢেল জমির মালিক তার পরিবারের লোকজন। তারা জিরো থেকে হিরো হয়েছেন।

জানা গেছে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর এপিএস থাকার সময়ে আদিতমারীর মহিষখোচার কচুমুড়া এলাকায় ২০ বিঘা, বারঘরিয়া বালুঘাটে ১৫ বিঘা, গোবধন চরে ৫০ বিঘা জমি ক্রয় করে। মহিষখোচা বাজারে কোটি টাকার উপরে জমি ক্রয় করে। মন্ত্রীর এপিএস হওয়ায় ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায়নি। প্রতিবাদ করলে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে পেটাতো। হয়রানি করতো মিথ্যা মামলা দিয়ে। তিস্তা নদীর অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে ১৫ বছরে শত কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে। রয়েছে তার অবৈধ বালু মহাল। তিনি ৮টি ট্রাকের মালিক। প্রতিদিন অবৈধ বালুর কারবার থেকে বালু বিক্রি করছে এপিএস’র লোকজন। প্রশাসন সবেই জানেন কিন্তু অসহায়। মহিষখোচায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১৮টি গ্রুপের ৪৪ কোটি টাকার কাজ সাব কন্ট্রাক্টে বাগিয়ে নেয় মিজান। কিন্তু কাজ করেছে অত্যন্ত নিম্নমানের।

অপরদিকে মিজানের ছোটভাই এরশাদুল হক চাকরি করেন হাতিবান্ধায় ভূমি অফিসের পিয়ন পদে। ২০ তম গ্রেডে চাকরি করে ১০ হাজার টাকা তার বেতন। বড়ভাই মন্ত্রীর এপিএস হওয়ায় চাকরি না করেও তুলতেন বেতন। পিয়ন থেকে সেও এখন কোটি টাকার মালিক। মহিষখোচা বাজারে সোনালী ব্যাংকের সামনে বড় বড় গোডাউনে রয়েছে কয়েক কোটি টাকার ভুট্টা। নামে-বেনামে মিজান জেলার আদিতমারী পলাশীর বনচৌকি দোলাসহ বিভিন্ন স্থানে আরও প্রায় দেড়শত বিঘার অধিক জমি ক্রয় করেছে। যার মূল্য প্রায় কয়েক কোটি টাকা। এ ছাড়াও আদিতমারী ভাদাই ঘোষের দোকানের পিছনে ৭৫ লাখ টাকা জমি ক্রয় করেছেন।

মিজানের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস ছিল না কারও। থানা-পুলিশ ছিল তার নিয়ন্ত্রণে। এ ছাড়াও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পেতো না কেউ। প্রতিবাদ করলেই পুলিশ দিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করতো। মিজানসহ সমাজসেবা মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের নামে দুদকে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। সমাজসেবা মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীদের পক্ষে মনি কিশোর নামে এক কর্মচারী দুদকে অভিযোগ করেছিলেন। এই অভিযোগটি তদন্তের নির্দেশ হয়। কিন্তু রহস্যজনকভাবে তদন্তে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com