1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
১৮ কোটি মানুষের ভূমিসেবা,জনবল বাড়ানোর তাগিদ নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
পাইকগাছায় হিলফুল ফুজুল এর ত্রি-বার্ষিক কমিটি গঠন সিলেট নির্বাচন কর্মকর্তার হাতে পর্তুগাল প্রবাসী লাঞ্ছিতের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি-প্রতারণা করেছে সরকার: শফিকুর রহমান সিরাতুন্নবী( সঃ) শীর্ষক আলোচনা ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা সরকারি চাকরি কি দুর্নীতি করার লাইসেন্স? আরজেএফ চেয়ারম্যান এস এম জহিরুল ইসলামের বাসায় দুধর্ষ চুরি ১৮ কোটি মানুষের ভূমিসেবা,জনবল বাড়ানোর তাগিদ নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হাডুডু বিলুপ্তির পথে মসজিদের জমি দখল ও মাটি বিক্রির অভিযোগ আগৈলঝাড়ায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা

১৮ কোটি মানুষের ভূমিসেবা,জনবল বাড়ানোর তাগিদ নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের

– জনবল সেই চারজনের কাঠামোতেই

reporter রেজাউল ইসলাম
calendar প্রকাশিত: ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ

দেশের জনসংখ্যা ও ভূমিসংক্রান্ত সেবার পরিধি কয়েকগুণ বাড়লেও উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের ভূমি অফিসগুলোতে প্রয়োজনীয় জনবল কাঠামো সেই তুলনায় বাড়েনি। ফলে ভূমি ব্যবস্থাপনায় একদিকে যেমন বাড়ছে কাজের চাপ, অন্যদিকে সেবা দিতে গিয়ে মাঠপর্যায়ে নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে কর্মকর্তাদের। প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধি করা হলে জনগণের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি ভূমিসেবার মান আরও উন্নত হবে বলে মনে করছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।
গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে ভূমি ব্যবস্থাপনায় জনবল সংকট ও ডিজিটালাইজেশনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, ভূমি ব্যবস্থাপনার সূচনা মূলত জমির খাজনা আদায়ের মধ্য দিয়ে। সময়ের সঙ্গে ভূমি অফিসের কার্যক্রমের পরিধি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে খাজনা আদায়ের পাশাপাশি নামজারি, জমির মালিকানা পরিবর্তন, ভূমি জরিপ, সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা, খাসজমি ব্যবস্থাপনা, ভূমি অধিগ্রহণ, বিভিন্ন তদন্ত এবং আদালতে চলমান মামলার তদন্ত প্রতিবেদনসহ নানা ধরনের সেবা দিতে হচ্ছে ভূমি অফিসগুলোকে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যা একসময় প্রায় দেড় কোটি থেকে বর্তমানে প্রায় ১৮ কোটিতে পৌঁছেছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে মানুষের বাসস্থানের প্রয়োজন বেড়েছে, জমির মালিকানা বিভাজন হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পায়ন ও নগরায়ণের কারণে জমি হস্তান্তর, মালিকানা পরিবর্তন ও দ্রুত নামজারির প্রয়োজনও বেড়েছে। ফলে ভূমি অফিসগুলোর ওপর প্রতিনিয়ত বাড়ছে সেবার চাপ। কোন কোন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে চারজনের সেটআপও নেই।

জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, কাজের চাপ বাড়লেও সেই তুলনায় ভূমি অফিসগুলোর জনবল কাঠামো পর্যাপ্ত নয়। প্রচলিত চারজনের জনবল কাঠামোও অনেক ভূমি অফিসে পূর্ণাঙ্গভাবে নেই। কোথাও একজন, কোথাও দুজন কর্মচারীকেই একাধিক ধরনের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, ভূমি কর্মকর্তাদের শুধু অফিসে বসে নাগরিকদের সেবা দিলেই হয় না; একই সঙ্গে তাদের মাঠপর্যায়ে গিয়ে জমির প্রকৃত অবস্থা পরিদর্শন করতে হয়। সরকারি সম্পত্তি দখল হয়ে যাচ্ছে কি না, সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্ট জমির সঠিক ব্যবস্থাপনা হচ্ছে কি না, আদালতের মামলার বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত, খাসজমি ব্যবস্থাপনা কিংবা ভূমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত কাজেও মাঠে যেতে হয়।
বিশেষ করে তহসিলদারদের মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শন ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। ফলে একই সময়ে অফিসে বসে নাগরিক সেবা দেওয়া এবং মাঠপর্যায়ের দায়িত্ব পালন করা অনেক ক্ষেত্রে কঠিন হয়ে পড়ে। জনবল সংকটের কারণে সেবা প্রদানে কিছুটা বিঘ্ন ঘটার অন্যতম কারণও এটি।তবে ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজেশনের ফলে আগের তুলনায় অনেক কাজ সহজ হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।
তিনি বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতির কারণে অনেক তথ্য ও নথি এখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেমে আপলোড হচ্ছে। কাগজপত্র যাচাইয়ের প্রক্রিয়াও আগের তুলনায় সহজ হয়েছে। আগে যে তথ্য ভলিউম বা পুরোনো রেকর্ড ঘেঁটে বের করতে হতো, এখন অনেক ক্ষেত্রেই ডেস্ক থেকেই তা দ্রুত বের করা সম্ভব হচ্ছে। এতে ভূমি অফিসগুলোর কাজের গতি কিছুটা বেড়েছে এবং সেবাগ্রহীতাদেরও সুবিধা হচ্ছে।
তবে ডিজিটালাইজেশন কাজকে সহজ করলেও সেবাগ্রহীতার সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় প্রয়োজনীয় জনবলের বিকল্প হিসেবে এটি পুরোপুরি কাজ করতে পারছে না বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।
জনবল বাড়ানোর চিন্তা সরকারের রয়েছে জেলা প্রশাসক বলেন, সেবাগ্রহীতার সংখ্যা ও কাজের পরিমাণ বিবেচনায় ভূমি অফিসগুলোতে আরও জনবল প্রয়োজন। সরকার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে বলে তিনি জানান।
প্রয়োজন অনুযায়ী অনুমোদিত জনবল বৃদ্ধি, নিয়মিত রাজস্ব খাতের জনবল নিয়োগ কিংবা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে সহায়ক জনবল বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে সরকার চিন্তা করছে এবং অচিরেই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, একজন তহসিলদারকে একদিকে যেমন বিভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হয়, অন্যদিকে সরেজমিনে গিয়ে সংশ্লিষ্ট জমি পরিদর্শনও করতে হয়। এ কাজে সহায়ক অতিরিক্ত জনবল থাকলে কাজের চাপ কমবে এবং নাগরিকদের সেবা আরও দ্রুত দেওয়া সম্ভব হবে।
জনবল বাড়লে জনগণের ভোগান্তি কমবে মো. রায়হান কবির বলেন, ভূমি অফিসে প্রয়োজনীয় জনবল বাড়ানো গেলে জনগণের ভোগান্তি কমবে এবং সেবার মান আরও বাড়বে। তবে বর্তমানে যে জনবল রয়েছে, তা দিয়েই জনগণকে সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, কোনো ভূমি কর্মকর্তার জনবল সংকট বা প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কারণে যেন একজন নাগরিক তার প্রাপ্য ও সহজ সেবা থেকে বঞ্চিত না হন—এ বিষয়টি কর্মকর্তাদের অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।
জনসংখ্যা, নগরায়ণ, শিল্পায়ন এবং ভূমিসংক্রান্ত সেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভূমি অফিসগুলোর জনবল কাঠামো আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি। ডিজিটাল ব্যবস্থার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের কাজের জন্য পর্যাপ্ত সহায়ক জনবল নিশ্চিত করা গেলে ভূমিসেবায় নাগরিক ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com