1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. backupadmin@wordpress.com : backupadmin :
  3. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  4. system@openreplay.com : wp-backup :
ভূটানের প্রতিনিধি দলের সোনাহাট স্থলবন্দর পরিদর্শন, গুরুত্ব পাচ্ছে কুড়িগ্রাম-ভূটান বাণিজ্য যোগাযোগ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
রূপপুর প্রকল্পের নির্মাণকাজ সফলভাবে সম্পন্ন: রুশ কূটনীতিকদের ক্রেস্ট ও অভিনন্দনপত্র সুন্দরবনের ” নানা ভাই” বাহিনীর ১২ সদস্যের আত্মসমর্পন, বিপুল অস্ত্র – গোলাবারুদ উদ্ধার সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময়: নিরাপদ গাজীপুর গড়তে সহযোগিতা কামনা গণসংযোগ মাস উপলক্ষে পটিয়ায় জামায়াতের দাওয়াতি উপকরণ বিতরণ দিনে দুপুরে ডেমরায় সাংবাদিকের বাসার তালা ভেঙে দুর্ধর্ষ চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট রূপগঞ্জে চাকরির প্রলোভনে ১০ যুবককে আটকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২ নগরকান্দায় সর্বজনীন মন্দিরের জায়গা আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন এক ভবনে নানা রোগের রোগী, বেতাগী হাসপাতালে নিরাপদ চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন জমি বিক্রির টাকা লুটে চলন্ত বাসে খুন: খুনিদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে উত্তাল মানববন্ধন সোনারগাঁ মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

ভূটানের প্রতিনিধি দলের সোনাহাট স্থলবন্দর পরিদর্শন, গুরুত্ব পাচ্ছে কুড়িগ্রাম-ভূটান বাণিজ্য যোগাযোগ

reporter আশিক ইসলাম
calendar প্রকাশিত: ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দর পরিদর্শন করেছেন ভূটানের গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি অথরিটি (GMCA)-এর একটি প্রতিনিধি দল। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রতিনিধি দলটি সোনাহাট স্থলবন্দর পরিদর্শন করে।পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলটি সোনাহাট স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম, ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা, যোগাযোগব্যবস্থা ও অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে খোঁজখবর নেয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ ও সোনাহাট স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মোঃ বদিউজ্জামানের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কুড়িগ্রামে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে। এটি বাস্তবায়ন এবং এর সঙ্গে ভূটানের যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা বিবেচনায় প্রতিনিধি দলটি বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেছে।

বিশেষ করে কুড়িগ্রাম থেকে সোনাহাট হয়ে ভূটানের দূরত্ব কত, সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে বর্তমানে কী কী পণ্য আমদানি-রপ্তানি হচ্ছে, ভবিষ্যতে নতুন কী কী পণ্য আমদানি-রপ্তানি করা যাবে এবং বন্দরের ইমিগ্রেশন কার্যক্রমসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে তারা তথ্য নিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পাথর, কয়লা, তাজা ফল, ভুট্টা, গম, চাল, ডাল, রসুন, আদা ও পেঁয়াজসহ ২২ টি পণ্য আমদানির সুযোগ রয়েছে এবং ভুটান থেকেও আমদানির অনুমতি রয়েছে। তার মধ্যে ভারত থেকে পাথর ও কয়লা আমদানি হয়।

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, রপ্তানি পণ্যের মধ্যে গার্মেন্টস ঝুট, প্লাস্টিক পণ্য, জুস, টয়লেট টিস্যু, মশারি, বই ও তৈরি পোশাকও রয়েছে।তারা পরিদর্শনের আগে একটি চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছে, ভূটানের গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি অথরিটি (GMCA)-এর একটি প্রতিনিধি দল ৩১ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর করছে।

সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEZA)-এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক এবং কুড়িগ্রাম পরিদর্শন।

কুড়িগ্রাম সফরের অংশ হিসেবে প্রতিনিধি দলের ভূটানি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, সোনাহাট স্থলবন্দর এবং চিলমারী নদীবন্দর পরিদর্শনের কথা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।প্রতিনিধি দলে ছিলেন GMCA-এর ডেপুটি ডিরেক্টর কালডেন দর্জি এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক অ্যাফেয়ার্সের অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর নিম লাম। সফরটি সমন্বয় করেন ঢাকায় রয়্যাল ভূটানিজ এম্বাসির মিনিস্টার-কাউন্সেলর (ট্রেড) দাওয়া শেরিং।

তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন BEZA-GMCA Joint Working Group Meeting-এর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রতিনিধি দলের এ সফর। এর মাধ্যমে কুড়িগ্রামে ভূটানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ২৮ মার্চ ভূটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে ভারত হয়ে সড়কপথে ভূটানে গিয়েছেন।

ওই দিন রাজা কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের মাধবরাম এলাকায় ভূটানের জন্য প্রস্তাবিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের স্থান পরিদর্শন করেন। সেখানে বিজিবির পক্ষ থেকে তাকে রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার ও বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

সফরের সময় বাংলাদেশ ও ভূটানের মধ্যে কুড়িগ্রামে ভূটানি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়। ভূটানের সরকারি যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কুড়িগ্রামের প্রস্তাবিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি ভূটানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর গেলেফু থেকে ১৯০ কিলোমিটার দূরে।

দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও যোগাযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে কুড়িগ্রামের এ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং সোনাহাট স্থলবন্দরের সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার GMCA প্রতিনিধি দলের সোনাহাট স্থলবন্দর, কুড়িগ্রামের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও চিলমারী নদীবন্দর পরিদর্শনকে ভবিষ্যৎ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এ সময় প্রোটোকল ও সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ, সোনাহাট স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মোঃ বদিউজ্জামান, ওসি আজিম উদ্দিন, স্থানীয় ব্যবসায়ী, উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম আকন্দ এবং কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের কয়েকজন প্রতিনিধি।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com