যশোরের মণিরামপুর থেকে অনিয়মিত দৈনিক প্রতিদিনের কণ্ঠ পত্রিকায় সাংবাদিকদের নামে অসত্য ও মনগড়া প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে দেশের বৃহত্তর সাংবাদিক সংগঠন রুর্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন।
জানা যায়, মণিরামপুর থেকে প্রকাশিত প্রকাশনা ও মুদ্রণের নিয়মনীতি বহির্ভূত অনিয়মিত দৈনিক প্রতিদিনের কণ্ঠ পত্রিকায় গত ১২ জুলাই, ২০২৬ইং তারিখে রাজনৈতিক আশ্রয়ে মণিরামপুরে সাংবাদিক নামধারী চক্রের দৌরাত্ম্য শীর্ষক প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে আরজেএফ। প্রতিদিনের কণ্ঠের প্রতিবেদনে উল্লেখিত আরজেএফ’র সহ-গণযোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সুমন চক্রবর্তী ও মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের কার্যকরী কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে যে অসত্য ও সম্মানহানিকর মন্তব্য করা হয়েছে তা বর্তমান সমাজ ও গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য চরম হতাশাজনক ও বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।
সাংবাদিক সুমন চক্রবর্তী প্রশিক্ষিত সাংবাদিক গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে কাজ করা দেশের বৃহত্তর সাংবাদিক সংগঠন রুর্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন(আরজেএফ) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-গণযোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক এবং দেশের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট। সাংবাদিকতায় বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল ও প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ(পিআইবি) থেকে সনদপত্র প্রাপ্ত এবং । ১৯ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতায় তিনি দেশবাসী ও সাংবাদিক সমাজের জন্য তুলে ধরেছেন অসংখ্য প্রতিবেদন। তিনি কখনও রাজনীতি করেন নাই। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান একজন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ও জাতীয় দৈনিক জবাবদিহি’র মণিরামপুর প্রতিনিধি এবং কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত নন। একটা অনিয়মিত প্রকাশিত নিয়মনীতি বহির্ভূত ও প্রতিনিধি নিয়োগ বানিজ্য করা সমালোচিত পত্রিকায় স্থানীয় সাংবাদিক ও সংগঠনকে নিয়ে সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন রুর্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন(আরজেএফ) এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এস এম জহিরুল ইসলাম।
এব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গণমাধ্যম ও সাংবাদিক সংগঠন একে অপরের সম্পূরক। সামাজিক সার্বিক পরিস্থিতি ঠিক রাখতে স্থানীয় গণমাধ্যম ও সাংবাদিক সংগঠনের সম্মিলিত শক্তি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আরজেএফ এর সহ-গণযোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সাংবাদিক সুমন চক্রবর্তী সহ সকল সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অসত্য প্রতিবেদন প্রকাশ করে দৈনিক প্রতিদিনের কণ্ঠ পত্রিকা গণমাধ্যমের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার জায়গাটা ক্ষুন্ন করেছে।