আমানউল্লাহ: পাঁচ দফা দাবীসহ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন ‘বাংলাদেশ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর ফোরাম’। সংগঠনের সভাপতি মো: সেকেন্দার আলম সুমন বলেন, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে “কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর” পদে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড হতে তিন বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা প্রকৌশলী নিয়োগ করা হলেও বেতনের বৈষম্য রয়েছে ব্যাপক। ডিপ্লোমদের বেতন ভাতা নিরসনের জন্য ১৯/১১/১৯৯৪ ইং সালে একই নম্বর ও তারিখে পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন জারি হয়। মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী নিয়োগ করা হলে ২য় শ্রেণির পদমর্যাদার কথা বা বর্তমানে ১০ম গ্রেডের কথা উল্লেখ করেন। সাম্প্রতিক সময়ে কারিগরি ছাত্র আন্দোলন কর্তৃক প্রদানকৃত স্মারকলিপি প্রদানের ফলস্বরূপ গত ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৪ইং স্মারক নং- ৫৭.০০.০০০.০৫৩.৯৯.০০৯.২৪.২১৬ পরিপত্রের মাধ্যমে সরকারি/ বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট হতে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারীদের বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহে নিয়োগের ক্ষেত্রে নূন্যতম মজুরি জাতীয় বেতন স্কেলের ১০ম গ্রেডের সমপরিমাণ বেতন ভাতাদি নির্ধারণ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়। এদিকে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে বেতন দেওয়া হয় মাত্র ১৬ গ্রেড! যেটা বর্তমান সময়ে চরম বেমানান। নিয়োগের নীতিমালায় আছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড থেকে তিন বছর কম্পিউটার বিষয়ে ডিপ্লোমা/ সমমান অথবা আইসিটিসহ বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি/ সমমান। সমমানের ক্ষেত্রে ৬ মাস মেয়াদি কম্পিউটার ডিপ্লোমাদের অগ্রাধিকার। একই যোগ্যতা দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আইসিটি শিক্ষক, ট্রেড ইন্সট্রাক্টর, ডেমোনেষ্ট্রেটর বেতন গ্রেড হিসেবে ১০ম গ্রেড পাচ্ছেন অথচ আমাদের দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১৬তম গ্রেড। যেটা চরম বৈষম্য। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আমানউল্লাহ আমাদের জানান কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদের নাম পরিবর্তন করে “কম্পিউটার ল্যাব ইন্সট্রাক্টর” করা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের চাপে অন্যান্য কাজের সাথে জড়িত রাখার কারণে কম্পিউটার ল্যাব সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হয় না তাই উক্ত পদের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন। পরিশেষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরিত গেজেটসহ, একাধিক প্রমাণকসহ নিম্নলিখিত পাঁচ দফা দাবী উপস্থাপন করেন। দাবীসমূহ: ১। বেতন গ্রেড ডিপ্লোমা প্রকৌশলীগণের ১০ম গ্রেড করা। ২। পদের নাম পরিবর্তন করে “কম্পিউটার ল্যাব ইন্সট্রাক্টর” করা। ৩। আইসিটিসহ বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি/ সমমানদের প্রয়োজনে উচ্চ ডিগ্রী/ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে ১০ম গ্রেডে পদায়ন করা। ৪। পরবর্তীতে এই পদে শুধুমাত্র ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের নিয়োগ দেওয়া। ৫। কাজের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।