1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
রামেক ইন্টার্ন পরিষদ নির্বাচনে ‘ঐক্যের অঙ্গীকার’ প্যানেলের ভূমিধস বিজয় মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে আস্থা রাখতে চান তৃণমূল কর্মীরা ‘শিশু নোবেল’ পুরস্কারের জন্য মনোনীত তজুমদ্দিনে ফুলকুঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রেখা ম্যাডামের বিদায় সংবর্ধনা ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদে ট্রেড লাইসেন্সের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ সচিব মাসুদ করিমের বিরুদ্ধে পাহাড়ের রামগড় থেকে নজরুল বর্ষের মঞ্চে দুই খুদে প্রতিভা রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজাদপুর থানার যৌথ উদ্যোগে ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ৬ মাসের জন্য স্থগিত এপিপি হযরত আলী হিরন খুলনার ডুমুরিয়ায় রাস্তায় রান্না, ঘরের মাচায় ঘুম ঢাকায় নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ ডিমলায় উদ্ধার,জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের নাম

ছাত্র আন্দোলনে আহত রিকশা চালক মহুবার অর্থের অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না!

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১১৯ দেখেছেন

লালমনিরহাট প্রতিনিধি: কোটা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের  গুলিতে আহত রিকশা চালক মহুবার অর্থের অভাবে চিকিৎসা হচ্ছেনা। মহুবার রহমানকে নিয়ে পরিবারের দুর্শ্চিন্তার শেষ নেই। এ অবস্থায় চিকিৎসার জন্য অর্ন্তবর্তী কালীন সরকারের সহায়তা চেয়েছেন তার পরিবার।
বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধার নিজ বাড়ীতে নিজেদের অসহায়ত্বের এসব কথা বলেন মহুবার। কোটা সংস্কারের আন্দোলন করতে গিয়ে ডান পায়ের হাটু,বুকের ডান পাশে ও পিঠে গুলি ভেদ করে যায় মহুবারের।  আন্দোলন সফল হলেও আহত হয়ে অর্থের অভাবে সুচিকিৎসা করতে না পেরে তাঁকে নিয়ে পরিবারের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। টাকার যোগান করতে না পেরে চিকিৎসা না নিয়ে গত ১৭ আগস্ট হাসপাতাল থেকে হাতীবান্ধার উপজেলার ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নের পূর্ব বিছনদই গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়েছে মহুবারকে।

মহুবার বলেন, গত ২১ জুলাই বিকেলে শনীর আকড়া যাত্রাবাড়ি এলাকায় আন্দোলনে ছিলাম। এ সময় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের সদস্যরা অস্ত্র হাতে আন্দোলনকারীদের ওপর মুহুর্মুহু গুলি চালায়। আর আমরা ইট পাটকেল ছুড়ে তাদেরকে প্রতিহতের চেষ্টা করতে থাকি। মিছিলের সামনে থাকা প্রায় সবাই গুলিবিদ্ধ হয়। এ সময় আমার বুকের ডান পায়ের পাশে গুলি ঢুকে যায়।
এতে আমি অচেতন হয়ে রাস্তায় পড়ে যাই। গুরুত্বর আহত অবস্থায় অন্যান্য আন্দোলনকারীরা আমাকে উদ্ধার করে প্রথমে রয়েল হাসপাতালে নিয়ে যায়। আমার কাছে টাকা না থাকায় আমি নিরুপায় হয়ে বাড়িতে চলে আসি।

মহুবারের স্ত্রী লাইলী বেগম বলেন, আমার যতটুকু সামর্থ ছিলো, তা দিয়ে স্বামীর চিকিৎসা করিয়েছি। বর্তমানে আমার সামর্থ্য নাই। প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের নিকট আমার আকুল আবেদন আমার স্বামীর মত যারা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে বা বাড়িতে কাতরাচ্ছে তাদের যেন সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পুর্নবাসন করা হয়।আমার স্বামী খুব কষ্টে আছে। প্রতিদিন অনেক টাকার ওষুধ লাগে। টাকার অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না। এখন বাড়িতে চিকিৎসা অভাবে পরে আছে।
এ ব্যাপারে হাতীবান্ধা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য আব্দুর রাজ্জাক রুবেল বলেন,আমি হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সমাজ সেবা অফিসার এবং কেন্দ্রীয় সন্বনয়কের সাথে যোগাযোগ করেছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম বলেন, এ খবর আমার জানা ছিলো না। আমি খোজ খবর নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করব।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.