মোঃ জান্নাতুল নাঈম, বগুড়া শিবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বগুড়া শিবগঞ্জ উপজেলা রায়নগর ইউনিয়নে সেকেন্দ্রাবাদ পূর্বপাড়া গ্রামে ১২ই রবিউল আওয়াল উপলক্ষে সেকেন্দ্রাবাদ পূর্বপাড়া জামে মসজিদে বাদ মাগরিব মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। উক্ত মিলাদ মাহফিলে হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনে নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনা করেন সেকেন্দ্রাবাদ পূর্বপাড়া জামে মসজিদের সাবেক খতিব আলহাজ্ব মোঃ সোলাইমান আলী, রোকন ৫নং ওয়ার্ড, জামাতে ইসলামী।
আলোচনা করেন হাফেজ মাওঃ মুফতি মোঃ হারুনুর রশিদ, অত্র মসজিদের খতিব, ভারপ্রাপ্ত আমির রায়নগর ( বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী।
তিনি বলেন, মহানবী (সা.) সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব। তাঁর পবিত্র জন্মও হয়েছে অলৌকিক পন্থায়। তাঁর জন্মে গোটা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। সৃষ্টি হয়েছে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা।পৃথিবীর ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি, যাঁর স্মরণ সব জাতি, সব যুগে করেছে।
আধুনিক যুগে সিরাত বিষয়ে, মুরসালিন মক্কায় বনি হাশিমের ঘাঁটিতে সোমবার সকালে ৯ রবিউল আউয়াল জন্মগ্রহণ করেন, যে বছর হাতির ঘটনা ঘটে। সে বছর পারস্য দেশের বাদশাহ আনু শিরোয়ার ক্ষমতা গ্রহণের ৪০ বছর পূর্ণ হয়। (আর রহিকুল মাকতুম, খণ্ড-১, পৃ. ৪৫)
তাফসিরে মা’আরেফুল কোরআন প্রণেতা মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.) মহানবী (সা.)-এর জন্ম তারিখ সম্পর্কে আরো কিছু অভিমত উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন : এ বিষয়ে সবাই একমত যে নবী করিম (সা.)-এর জন্ম রবিউল আউয়াল মাসের সোমবার দিন হয়েছিল। কিন্তু তারিখ নির্ধারণে চারটি বর্ণনা প্রসিদ্ধ আছে—২, ৮, ১০ ও ১২ রবিউল আউয়াল। এর মধ্যে হাফিজ মুগলতাই (রহ.) ২ তারিখের বর্ণনাকে গ্রহণ করে অন্য বর্ণনাগুলোকে দুর্বল বলে মন্তব্য করেছেন। কিন্তু প্রসিদ্ধ বর্ণনা হচ্ছে ১২ তারিখের বর্ণনা। ‘তারিখে ইবনে আছির’ গ্রন্থে এ তারিখই গ্রহণ করা হয়েছে।
মহানবী (সা.)-এর জন্মের দিনে আমাদের করণীয়
মহানবী (সা.)-কে সোমবারের রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘এই দিনে আমি জন্মগ্রহণ করেছি এবং এই দিনে আমাকে নবুয়ত দান করা হয়েছে।’ (মুসলিম শরিফ, হাদিস : ১১৬২)
মুসলিম শরিফে বর্ণিত বিশুদ্ধ এই হাদিসের আলোকে জানা যায়, প্রিয় নবীর জন্মদিনে উম্মতের করণীয় কী? এই দিনে উম্মতের করণীয় হলো, রোজা রাখা। তাঁর প্রতি অধিক পরিমাণে দরূদ ও সালাম পাঠ করা। অন্য হাদিসে মহানবী (সা.) বলেন, ‘সোমবার ও বৃহস্পতিবার বান্দার আমলনামা আল্লাহর দরবারে উপস্থাপন করা হয়। সুতরাং রোজা অবস্থায় আমার আমলনামা উপস্থাপন করা হোক, এটা আমি পছন্দ করি।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৭৪৭)
তিনি বলেন স্বৈরাচার সরকার, শতশত ছাত্র জনতা, সাধারন মানুষকে হত্যা করে দেশ ছেড়েছেন। স্বৈরাচার হাসিনা তিনি আমাদের জামাতে ইসালামী নেতাদের ধরে ধরে, বছরের পর বছর, জেল হাজুতে, আয়না ঘরে বন্দি করে রেখে নির্যাতন করেছে। আমরা তার শাস্তি চাই, যারা জন সাধারনের উপর নির্যাতন করেছে, তাদের শাস্তি চাই।
আমারা এই স্বৈরাচারি সরকারের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছি। ইনশাআল্লাহ দেশ আবার ও স্বাধিন হয়েছে। আমরা এখন স্বাধিন।
বিশেষ কারনে, বাংরাদেশ জামাতে ইসলামী সেক্রেন্টারি মাওঃ মোঃ আলাল উদ্দিন, শিবগঞ্জ উপজেলা শাখা, উপস্থিত হতে পারেনি, তাই তিনি সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
আরো উপস্থিত ছিলেন, মোঃ নূরল ইসলাম প্রধান শিক্ষক ( কাজিপুর সরকারি বিদ্যালয়) মোঃ এসকেন্দার আলী, আলহাজ্ব মোঃ মতিউর রহমান জামাল( সাবেক ইউপি সদস্য)
অত্র এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগন সহ মসজিদের সকল মুসলিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।