1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
রামেক ইন্টার্ন পরিষদ নির্বাচনে ‘ঐক্যের অঙ্গীকার’ প্যানেলের ভূমিধস বিজয় মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে আস্থা রাখতে চান তৃণমূল কর্মীরা ‘শিশু নোবেল’ পুরস্কারের জন্য মনোনীত তজুমদ্দিনে ফুলকুঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রেখা ম্যাডামের বিদায় সংবর্ধনা ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদে ট্রেড লাইসেন্সের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ সচিব মাসুদ করিমের বিরুদ্ধে পাহাড়ের রামগড় থেকে নজরুল বর্ষের মঞ্চে দুই খুদে প্রতিভা রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজাদপুর থানার যৌথ উদ্যোগে ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ৬ মাসের জন্য স্থগিত এপিপি হযরত আলী হিরন খুলনার ডুমুরিয়ায় রাস্তায় রান্না, ঘরের মাচায় ঘুম ঢাকায় নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ ডিমলায় উদ্ধার,জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের নাম

এলজিইডি অশান্ত করার পাঁয়তারা নেপথ্যে ঘাপটিমেরে থাকা আ. লীগ নেতারা

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৯১ দেখেছেন

বিশেষ প্রতিবেদক: স্বৈরশাসক আ. লীগ সরকারের পতনের পর কয়েকদিন ঘাপটি মেরে থাকা এলজিইডির আ. লীগ নেতারা সংঘটিত হতে শুরু করেছে। এলজিইডি অশান্ত করে বৈষম্যের শিকার এলজিইডির পুরনো কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণ প্রক্রিয়ায় বাঁধার চেষ্টা করছে।এ বিষয়ে পরিকল্পনা তৈরি ও ফান্ড সংগ্রহের জন্য গোপন বৈঠক করে কয়েকজন আওয়ামী পন্থী কর্মকর্তা।
জানা যায় সম্প্রতি এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আলী আক্তার হোসেন মহামান্য হাইকোর্টের রায়ের আলোকে তিন হাজার ৩৯১ জন কর্মচারীর নিয়োগের জিওবিতে স্থানান্তরের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মতামতের জন্য ওই মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর একটি চিঠি পাঠান। এই নিয়োগের বিরোধিতা করতে পত্রিকায় নিউজ ও ২০২৩ সালে জিওবিতে নিয়োগ পাওয়া প্রায় দুই হাজার ২’শ কর্মচারীদের দিয়ে ভিত্তিহীন আন্দোলন গড়ে তুলতে চেষ্টা করে। এধরনের আন্দোলনের মূল লক্ষ্য এলজিইডি অশান্ত করে ওই নিয়োগ  বন্ধ করা।
সূত্র জানায় ভিত্তিহীন এই আন্দোলন গড়ে তুলতে কর্ম পরিকল্পনা ও খরচের সংস্থানের জন্য গত শনিবার ১৭ আগস্ট দুপুর দু’ টায় রাজধানীর টপসিকিউড রাওয়া ক্লাবে গোপনে মিটিং করে আওয়ামী পন্থী ১০-১৫ জন কর্মকর্তা।
○সূত্র জানায় ওই গোপন মিটিংএ উপস্থিত ছিলেন – পিডি আমিরুল ইসলাম খান,ঢাকা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ফিরোজ আলম তালুকদার, নির্বাহী প্রকৌশলী শরীফ হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী আমিনুর রশিদ চৌধুরী,পিডি মামুনুর রশিদ সাবেক আই ই বি নেতা,পিডি তাজুল ইসলাম তুহিন,শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলার রায় প্রদানকারী বিচার পতি রুহুল আমিনের ভাতিজা পিডি ফজলে হাবিব, সহকারী প্রকৌশলী শরিফ শেখ, সহকারী প্রকৌশলী হানিফ মুর্শেদী, সহকারী প্রকৌশলী আতাউর রহমানসহ আরো কয়েক জন।ওই গোপন মিটিংএ তাৎক্ষণিক প্রায় অর্ধ কোটি টাকা চাঁদা উঠে। জানা যায় আন্দোলন পরিচালনার জন্য চাঁদা দেন ফিরোজ আলম তালুকদার, আমিরুল ইসলাম খান ও আমিনুর রশিদ চৌধুরী প্রত্যেক দশ লাখ, তুহিন,ফজলে হাবিব, হানিফ মুর্শেদী প্রত্যেকে ৫ লাখ টাকা দেন। উপস্থিত অন্যরাও কিছু কিছু চাঁদা দেন। সূত্র জানায় ওই মিটিং থেকে ফোনে যোগাযোগ করা হয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবদুর রশিদ মিয়া, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী প্রশাসন বেলাল হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী প্রশাসন হানিফ মন্ডল, নির্বাহী প্রকৌশলী আইন জাকির হোসেন, পিডি আব্দুল বারেক,সহকারী প্রকৌশলী খায়রুল বাশারসহ আরো কয়েক জনের সাথে এবং তাদের সহায়তা ও পরামর্শ চাওয়া হয়।
সূত্র জানায় ওই গোপন মিটিংএ সিদ্ধান্ত হয় এলজিইডি অশান্ত করতে পাল্টা আন্দোলন গড়ে তোলা।এরই অংশ হিসেবে গত ১৮ আগস্ট রোববার, ২০২৩ সালে নিয়োগ পাওয়া কর্মচারীদের দিয়ে একটি ভূয়া আন্দোলন গড়ে তোলা। সিদ্ধান্ত হয় ঢাকা ও ঢাকার আশপাশের জেলা থেকে কিছু কর্মচারী ও বহিরাগত ভাড়াটিয়া কিছু লোকের সমাগম করা। মিটিং এর পরিকল্পনা মাফিক ১৮ আগস্ট রোববার এলজিইডি ভবনের নিচতলায় ২/৩ ‘ শ মানুষের সমাগম ঘটে এবং তারা হাইকোর্টৈর রায় পাওয়াদের আত্বীকরন বিরোধী স্লোগান দিতে থাকে।একই সাথে আশপাশের স্কুল- কলেজের ২৫/৩০ জন ছাত্র-ছাত্রী মেধার ভিত্তিতে চাকরি দিতে হবে স্লোগান দিতে থাকে।
আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করা এক কম্পিউটার অপারেটর সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের,নাম পরিচয় গোপন রাখার শর্তে তিনি বলেন ,আমার চাকরি জিওবির সুতরাং কেস আলাদের চাকরি স্থায়ীকরণ হলেও আমাদের সমস্যা নেই। আন্দোলনে অংশ নিলেন কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন,তারা যাতায়াত খরচ দিয়েছে এবং হেড অফিসে কাজ ছিল তাই এসেছি। কত টাকা পেয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমরা যারা আজকের আন্দোলনে এসেছি প্রত্যেকে ২/৩  হাজার টাকা দিয়েছে। কে টাকা দিয়েছে জানতে চাইলে তিনি সেই ব্যক্তির নাম বলতে রাজি হননি। একাধিক অংশ গ্রহণকারীর সাথে এই প্রতিবেদকের কথা হয় তারা সকলেই জানান টাকা পাওয়া কথা।
ওই আন্দোলনে কিছু ছাত্র-ছাত্রীর অংশগ্রহণ সম্পর্কে একটি সূত্র জানায়,জনৈক মিলন নামে সাংবাদিক নামধারী এলজিইডিতে চাঁদাবাজ নামে খ্যাত সে তার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলেকে সহকারী  সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে আগারগাঁও এলাকার স্কুল- কলেজের ২৫/৩০ জন ছাত্র-ছাত্রী জড়ো করে এবং তারা মেধার ভিত্তিতে চাকরি দিতে হবে স্লোগান দিতে থাকে।সূত্র জানায় ওই মিলনকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে কিছু ছাত্র-ছাত্রী নামানোর দায়িত্ব দেয়। আন্দোলনের এই অংশের যুক্তি দাতা একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও অর্থ দাতা আই ইউ ডি পি প্রকল্পের পিডি আব্দুল বারেক।ওই আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করতে আসা আগারগাঁও স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্র আমানের সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের।আমান বলেন,আজ সকালে (১৮ আগস্ট) আমার বন্ধু শেরেবাংলা স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র জাহিদুর রহমান ফোন দিয়ে জানায় ১০/১১টার দিকে এলজিইডি অফিসে আসবি,ওখানে ঘন্টাখানেক সময় মিছিল করব বিনিময়ে দু’হাজার টাকি পাবি।সেইমত আমি ও আমার বন্ধু শফিক আন্দোলনে আসি এবং প্রত্যেকে দু’ হাজার করে টাকা ও এক প্যাকেট বিরিয়ানি খেতে দেয়।সূত্র জানায় ওই দিনের আন্দোলনে আগারগাঁও ও তালতলা এলাকার অনেক বহিরাগত অংশ নেয় এবং তাদের প্রত্যেককে টাকা দেওয়া হয়।

২০০৮-২০১০ পর্যন্ত এই সময়ে কয়েকটি রিট আবেদনেরপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন খারিজ হয়।ওই সময়ে কয়েকটি রিটে সাত হাজার ৫০০ জন কর্মকর্তা কর্মচারীর চাকরি স্থায়ীকরণ করার রায় দেয়।সাবেক প্রধান প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান বিএনপি জামায়াত তকমা লাগিয়ে তালিকার বিভিন্ন জায়গা থেকে মাথাপিছু দু’ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে তিন হাজার ৮১ জনের চাকরি স্থায়ীকরণ করে।ওই সময়ের সহকারী প্রকৌশলী প্রশাসন জহুরুল ইসলাম মন্ডল ও নির্বাহী প্রকৌশলী প্রশাসন আব্দুস সাত্তার মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে তাদের চাকরি স্থায়ীকরণ করে। চাকরিতে বৈষম্য দুরকরার জন্য বাকি তিন হাজার ৩৯১ জনের চাকরি স্থায়ীকরণ করতে মতামত চেয়ে মন্ত্রনালয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন প্রধান প্রকৌশলী।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.