নিজস্ব প্রতিবেদক: রংপুর জেলার গংগাচড়া উপজেলা থানার সামনে রাজধানী টিভির রংপুর স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম ও ক্যামেরা পারসন জিয়ারুল ইসলাম থানার ভিতরে যাওয়ার সময় এসআই জনকের দেখা হলে তিনি জোর করে চা খাওয়াতে নিয়ে যান, এসআই জনকের সাথে স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায় মহুবারও চা খেতে আসেন। চা খাওয়া অবস্থায় রাজধানী টিভির ক্যামেরাপার্সন সিগারেট টানলে স্বেচ্ছাসেবক দলের মহুবার তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন । তিনি বারবার বলছিলেন যে তুমি জানো আমি কে, তুমি থানার সেকেন্ড অফিসার সামনে কোন সাহসে সিগারেট টানো, তোমাদের মত সাংবাদিকদেরকে আমি শায়েস্তা করতে এসেছি, সেই সাথে নানাবিধ অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। গালিগালাজ চলাকালীন রাজধানী টিভির ক্যমেরাপার্সন চুপচাপ ছিলেন । এক পর্যায়ে রাজধানী টিভির রংপুর স্টাফ রিপোর্টার তাকে এ অপমান ও অসৌজন্য আচরণ করার অধিকার কে দিয়েছে জানতে চাইলে, উক্ত এসআই জনকের সামনে তিনি চায়ের দোকানে ব্রেঞ্চ হাতে তুলে বারবার মারতে উদ্যত হলে দোকানে থাকা লোকজন তাকে নিবৃত করেন এবং এসআই জনক তার হাত ধরে থানার ভিতরে চলে যায় । ঘটনাস্থলে স্বেচ্ছাসেবক দলের কিছু নেতাকর্মী এসে মহুবার ভুল করেছে বলে সাংবাদিক রফিকুল ইসলামকে আশ্বস্ত করেন এবং বিষয়টি তারা দেখবেন বলে জানান।
একজন সাংবাদিক এবং তার সহকর্মীর উপর এ ধরনের অশোভন আচরণ এবং মারতে উদ্যত হওয়া কতটুকু বিএনপি দলীয় নীতিমালার মধ্যে পড়ে তা জানতে চায় গঙ্গাচড়ার স্থানীয় সাংবাদিক মহল ।
চঘটনাস্থলে চায়ের দোকানের মালিকসহ গংগাচড়ার স্থানীয় সাংবাদিক এবং চায়ের দোকান সংলগ্ন সবাই অবগত আছেন। বিষয়টি অতীব নেক্কারজনক এবং অসৌজন্যমূলক হওয়ায় বিএনপির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম।