1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
বিনিয়োগ আকর্ষণে ২০ উদ্যোগের ৭টি বাস্তবায়ন, পাইপলাইনে ১৩০ কোটি ডলার মতপার্থক্য ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: মঈন খান ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ-তৈরি পোশাকের বাজার বাড়াতে চায় বাংলাদেশ মিরপুরে দখলমুক্ত ফুটপাতে ফিরেছে পথচারীর স্বস্তি বিজেএমসির বন্ধ পাটকল চালু, বাড়ছে কর্মসংস্থান ঘোড়াঘাট নজরুল বর্ষে উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান বকেয়া বেতন না দিয়ে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের অভিযোগে শাহিনপুকুর সিরামিকে উত্তেজনা পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করলেন ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জাঁ-মার্ক সেরে-শার্লে কজনকে বাঁচাতে ১০ জনের গলা চেপে ধরছে সরকার তেল-গ্যাসের দাম , ফ্যামিলি কার্ডের প্রতিশ্রুতি

দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন মেহেদী হাসান।

  • আপডেট সময় : বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২৮৯ দেখেছেন

স্টাফ রিপোর্টার: সরকারি আইন লঙ্ঘন করে পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় মেহেদী হাসান নামের এক শিক্ষক চাকরি করেন দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। প্রায় দুই বছরের ও বেশি সময় চাকরী করে আসছেন। আইন লঙ্ঘন করা এই শিক্ষক মোঃ মেহেদী হাসান এমপিও ভুক্ত দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটিতে বনওয়ারী নগর ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসা জীব বিজ্ঞানের প্রভাষক, যাহার এমপিও ইনডেক্স নাম্বার হলো ( R2009194)। অপরটি পৌর মহিলা কলেজের প্রিন্সিপাল হিসাবে চাকরী করছেন। যাহার এমপিও ইনডেক্স নাম্বার হলো (N56851728)। ফরিদপুর উপজেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রের দুইটি প্রতিষ্ঠান। আর সেই দুই বড় প্রতিষ্ঠানে বেতন ভাতা ও বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন। এবং পাবনা ৩ আসনের সাবেক এম পি মকবুল হোসেন এর সাথে আতাত করে এবং সাথিয়ার সাবেক এমপি সামসুল হক টুকুর আত্বীয় পরিচয় দিয়ে মকবুল হোসেন কে দিয়ে কোনো সার্কোলার না দিয়েই পৌর মহিলা কলেজের প্রিন্সিপাল হিসাবে নিয়োগ নেন।এবং বনওয়ারী নগর ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসা প্রভাষক থেকে মাদরাসার বিভিন্ন নিয়োগ বানিজ্য করেন এবং হাতিয়ে নেন লক্ষ লক্ষ টাকা। মকবুল এমপি আমার নিজেস্ব লোক বলে নিয়োগ বানিজ্য করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, এক শিক্ষক দুই প্রতিষ্ঠান চাকরি করে সরকারের সাথে প্রতারণা করে আসছে। এই বিষয় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গ ও জনসাধারণ জানান, এই প্রতারকের সর্বচ্চ শাস্তি হওয়া দরকার বলে তবে এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে মোঃ মেহেদী হাসান দুই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার কথা স্বীকার করেন। এবিষয়ে ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ শিরিন সুলতানার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এক শিক্ষক দুই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে এটা আমার জানা নাই।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.