নিজস্ব প্রতিবেদক: ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে উপজেলার ২ নং আমগাঁও ইউনিয়নের খামার ঈদগাহ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে নিয়োগ বানিজ্য সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসা সুপার তার প্রতিষ্ঠানে এক একটি নিয়োগের বিপরীতে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন অসাধু এই মাদ্রাসা সুপার।
অভিযোগ রয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষক ইসমাইল হোসেন কে নিয়োগ দিয়ে ১২ বছর চাকরি করার পরেও তাকে মাদ্রাসার কক্ষে আটক রেখে জোর করে রিজাইন পএ লেখে নেন, মাদ্রাসা সুপার এবং তার ভাই সহকারী শিক্ষক মানিক হোসেনের বিরুদ্ধে।
এই ঘটনার পরে আদালতে মামলা করেন ইসমাইল হোসেন চলতে থাকে মামলা । মামলার চলাকালিন এক পর্য়ায়ে মামলা চালাতে ব্যার্থ হয়ে মাদ্রাসা সুপার, কৌশলে চাকরি ফেরত দিতে চান ইসমাইল হোসেন কে।কৌশলে ৭ লক্ষ টাকা নেন তার কাছে, অভিযোগ রয়েছে মাইনুল ইসলাম নামে আরেক ব্যাক্তির নিকট চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা কৌশলে নিয়ে তাকেও চাকরি দেওয়া হয়নি। আতাউর রহমানের কাছে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নেয় ১ লক্ষ টাকা এতে চাকরি পায়নি কেউ।
এলাকার ভুক্তভোগীরা জানান ঠাকুরগাঁও ২ আসনের প্রভাবশালি সাবেক এমপি মাজাহারুল ইসলাম সুজন ছিলেন এই মাদ্রার সভাপতি তার হুকুমে নিজের ইচ্ছেমত মাদ্রাসা চালাতেন সুপার মামুনুর রশিদ । এলাকার কোন লোক মাদ্রাসার ব্যাপারে কথা বল্লে তাদেরকে মামলা দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়, এবং বিভিন্ন ভাবে তাদের হয়রানি করতেন মাদ্রাসা সুপার মামুনুর রশিদ তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পেতনা ঐ এলাকার লোকজন। নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না মাদ্রাসা সুপার, এ ব্যাপারে মাদ্রাসা সুপারকে একাধিক বার মুঠো ফোনে যোগায়োগ করা হলেও ফোন রিসিভ করেন নি মাদ্রাসা সুপার।