গজারিয়া( মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় দিন দিন বেড়েই চলছে চুরি ও ছিনতাইয়ের মত ঘটনা। এসব ঘটনায় চোর আতঙ্কে দিন কাটছে উপজেলাবাসীর। নিরিবিলি ও ফাকা বাড়িতে সুযোগ বুঝে চুরি এবং প্রকাশ্য দিবালোকে ছিনতাই করে নিচ্ছে চোর ও ছিনতাইচক্র। গবাদিপশু থেকে শুরু করে টাকা, স্বর্ণালংকার, ঘরের আসবাপত্র, এমনকি গ্যাসের বোতল চুরিতে মেতে উঠেছে চক্রটি।
উপজেলার ভবেরচর কলেজ রোডে একাধিক দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। জানা যায়, গত শনিবার রাত আনুমানিক ভোর রাত অনুঃ ০৩:০০ ঘটিকার মধ্য যে কোন সময় অজ্ঞাত নামা চোর/চোরেরা উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের অন্তর্গত কলেজ রোডস্থ একটা ইলেকট্রিক্স দোকান থেকে ১৮,০০০/ ও পাশের মুদি দোকান থেকে ৯০,০০০/হাজার টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে।
ভুক্তভোগী দোকানদার উপজেলার আলীপুরা গ্রামের মৃত সিরাজ সরকার এর ছেলে মোঃ সোহেল সরকার বলেন, আমার দোকানে এর আগেও চুরি হয়েছে, অভিযোগও দায়ের করেছিলাম কিন্তু আবার চুরি হলো। এ ভাবে চলতে থাকলে ব্যবসা করবো কি ভাবে?
অপর দোকানদার উপজেলা সাত কাউয়িনা গ্রামের বাবুল মিয়া জানান, দোকানের পিছনের টিনের বেড়া কেটে আমার ৯০ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে গেছে।
এতে মধ্যে টেঙারচর ইউনিয়নে উত্তর সাহাপুর গ্রামের অটো চালক রুবেল মিয়ার দুটি ষাঁড় গরু চুরি, রবিবার রাতে বৈদ্যেরগাঁও গ্রামে ৪ টি গরু ও গত সোমবার আড়ালিয়া গ্রামের ইব্রাহিম মিয়ার একটি অটো চুরির ঘটনা ঘটে।
বিশ্লেষকরা বলছেন , চোর ও ছিনতাইয়ের মত এসব অপরাধ নির্মূল করতে হলে পুলিশকে আরো ভিন্নধর্মী উদ্দোগ গ্রহন করতে হবে। অভিযোগ তদন্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তদন্তের গতি আরো বৃদ্ধি করতে হবে। তাহলেই আসল চোর ও ছিনতাইচক্র ধরা সম্ভব।
এ বিষয়ে গজারিয়া থানা পুলিশ অফিসার ইনচার্জ (অতিরিক্ত দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত) ওসি তদন্ত মো: আক্তারুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।