মোঃ আলম মৃধা, রিপোর্টার, উওরা প্রতিনিধিঃ বৈষম্যের বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বন্যা দুর্গত এলাকায় গিয়েছিল ত্রান বিতরণ করতে, ফেরার পথে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা- আব্দুল্লাহপুর ইমপ্রিয়াল এক্সপ্রেস গাড়িতে আসিতেছে ত্রান বিতরণ করে, ঢাকা থেকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র গাড়িতে যাত্রী ছিল, ঢাকা সায়েদাবাদ এসে সুপারভাইজার সকল যাত্রীদের নেমে যেতে বলেন ,আব্দুল্লাহপুর গাড়ি যাবে না। তখন গাড়ির ভেতরে থাকা এক যাত্রী বলেছেন আমাদের টিকিট আব্দুল্লাহপুর পরিযন্ত, আব্দুল্লাহপুর গাড়ি যাইতে হবে,সুপারভাইজার বলেছেন আমাদের গাড়ি আব্দুল্লাহপুর পরিযন্ত যাওয়া হবে না, এক পর্যায়ে গাড়িতে নয়জন বৈষম্যের বিরোধী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ত্রান বিতরণ করার জন্য গিয়েছিল, ছাত্ররা প্রতিভাত করে গাড়ি আব্দুল্লাহপুর পরিযন্ত নিয়ে আসেন। গাড়ি আব্দুল্লাহপুর এসে গাড়ি বন্ধ করে দেয়। বৈষম্যের বিরোধী ডেপোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মোঃ শাহারিয়ার বাইজির ও অন্যান্যরা, সুপারভাইজার কে বলে গাড়ির মালিককে ঢাকার জন্য ।
সুত্রে মতে যানা যায় মালিক ঢাকার বাইরে গিয়েছে, মালিকের ফোন করায় তার অনুপস্থিতিতে ইমপ্রিয়াল এক্সপ্রেস গাড়ির একাউন্ট অফিসার মোঃ নাদিম আহম্মেদ ও তার সহযোগীদের পাঠানো হয়েছে। তাদেরকে ছাত্ররা ৬ দফা দাবি করে নাদিম আহম্মেদ এর হাতে দেয়া হয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, গাড়িতে অনিয়ম ও বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে ভাড়া আদায় ও বিভিন্ন জায়গায় স্টান্টের ছাড়া যাত্রীদের উঠান, অনেকভাবে হ্যাঁ নাস্তা করা হয় তাঁহার জন্য ছাত্রদের ৬ দফা দাবি, দীর্ঘদিন দিন মানুষের মনের ক্ষোভ প্রকাশ করার ইচ্ছা থাকলেও অনেক দিন পর্যন্ত পেরে উঠতে পারেনি, বৈষম্যের বিরোধী আন্দোলনের সহযোগীতায় আমরা একটা করে এগিয়ে যেতে পারতেছি, ইমপ্রিয়াল এক্সেস একাউন্ট অফিসার ৬ দফা মেনে নিয়ে মোঃ নাদিম আহম্মেদ মালিকের পক্ষ থেকে ভুল শিকার করেন এবং ৬ দফা নিজে পরেন এবং বৈষম্যের বিরোধী ছাত্রদের সকল বারা টাকা ফেরত দিয়ে দেন। ছাত্ররা মোঃ নাদিম আহম্মেদকে বলেছেন এই ৬ দফা সকল গাড়ির একটি নিয়মে চলতে হবে, অন্যথায় বৈষম্যের বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও অন্তবর্তীকালীন সরকারের নিয়ম সকল মালিকদের একত্রিত হওয়ার জন্যে বলে দেওয়া হয়েছে যেন অন্য সকল গাড়ির ইমপ্রিয়াল এক্সপ্রেসের ন্যায় পরিস্থিতি নতুন উদ্ঘাটন না হয়।