1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
রাজস্থলী ৪টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিক্ষকরা মাথা উঁচু করে দাড়াতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা এগোতে পারব না : বিসিবি পরিচালক ‎বকশীগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ৯৭১ পিস ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ আত্রাই ও রানীনগরে অত্র এলাকার সংসদ সদস্যের নিজস্ব অর্থ য়ানে দুটি পুলিশ বক্সের উদ্বোধন হালুয়াঘাটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ মিরপুরে পরিবহন মালিকদের সাপ্তাহিক সভা ,নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে যাত্রীসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ শিক্ষকদের মর্যাদা ও পেশাগত সুরক্ষার আহ্বানে উজিরপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস টেকনাফে মাদরাসা ও ওয়াকফ এস্টেটের সাইনবোর্ড উপড়ে জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ পরিকল্পিত ও বসবাসযোগ্য নগর গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ভৈরবে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এমপি

মেঘের রাজ্য নীলাচল

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৪ দেখেছেন

সবুজে ঘেরা পাহাড়ি কন্যা বান্দরবান ঋতুভেদে এক অপরূপ সৌন্দর্য ধারণ করে। ভ্রমণপ্রেমীদেরকে প্রকৃতির বৈচিত্র্যে হাতছানি দিয়ে ডাকে। বর্ষার আকাশে পাহাড়ের চূড়ায় মেঘের স্পর্শে মন হারিয়ে যায় মেঘের রাজ্যে। হেসে-হেসে সূর্য উঠে, বৃষ্টি ঝরে রিমি ঝিমিয়ে সবুজের সমারোহে।
বান্দরবানের শহরের পাশে দৃষ্টিনন্দন নীলাচল যেন বান্দরবানের অপরূপ এক সৌন্দর্যের লীলাভূমি।

উঁচু-নিচু পাহাড় আর হরেক রকমের গাছগাছালির বুক চিরে আঁকাবাঁকা সড়ক। নদীর বেগের মত পেচানো উঁচু-নিচু সড়কের দু-পাশে পাহাড়ি ফুলে সৌরভ। বন পাখিদের উঠাউঠি আরও কূজন।
নয়নাভিরাম বান্দরবান শহরের পাশ দিয়ে বয়ে সাঙ্গু নদী। সবুজের মাঝে কলকলে ধ্বনি,পাহাড়ি সৌন্দর্যের মহিমায় পৃথিবীতে যেন স্বর্গের এক খন্ড ভূমি।
এ রাজ্যে নিত্য স্বমহিমায় মেঘ আপনাকে ভিজিয়ে দিয়ে যায়। নীলাচলের পাহাড়চূড়ায় মেঘ ছুঁয়ে দেখতে পারে যে কেউ।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ৬০০ ফুট উঁচু। পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে দেখা যায় বান্দরবান শহর আর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সাঙ্গু নদী।
বর্ষার আকাশের মেঘে চলে নীলাচলের ভূমিতে, বাসা বাঁধে গাছের ডালে।
বান্দরবান শহর থেকে ছোট একটি সড়ক এঁকেবেঁকে চলে গেছে নীলাচলে। এ পথে প্রায় তিন কিলোমিটার পাহাড় বেয়ে পৌঁছতে হয়। মাঝে পথের দুই পাশে ছোট একটি পাড়ায় দেখা যাবে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের বসবাস।
এছাড়া বান্দরবান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গড়ে তোলা মনোরম এ পর্যটন কেন্দ্রে সম্প্রতি নতুন যোগ করা হয়েছে একটি রিসোর্ট। তাই এখানে বেড়ানোর পাশাপাশি পর্যটকরা রাতযাপনের সুযোগ পাবেন। সেখানকার পাহাড়ের চূড়ায় বান্দরবান জেলা প্রশাসন গড়ে তোলে আকর্ষণীয় এ পর্যটন কেন্দ্র। পাহাড়ের গায়ে গায়ে পর্যটকদের জন্য আছে নানা ধরনের ব্যবস্থা, মেঘের সাথে কাটানো যায়।
পাহাড়ের ঢালে ঢালে সাজানো হয়েছে এ জায়গাগুলো অবকাশ কেন্দ্র । একটি থেকে আরেকটি একেবারেই আলাদা। একেক জায়গা থেকে সামনের পাহাড়ের দৃশ্যও একেক রকম। নীলাচল পর্যটন কেন্দ্রের একেবারে চূড়ায় পর্যটকদের জন্য আছে কয়েকটি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। যেখান থেকে দেখা যায় দূর পাহাড়ের রোদ বৃষ্টির খেলা।

এছাড়া নীলাচলের মূল পাহাড়ের শিখরের চারপাশেই মনোরম নির্মাণ শৈলী। একটি থেকে আরেকটি একেবারেই আলাদা। আর একেক দিক থেকে পাহাড়ের দৃশ্যও একেক রকম। এখানে কিছুক্ষণ পরপরই দূর পাহাড় থেকে মেঘ ভেসে আসে নীলাচলের চূড়ায়। চারপাশ ঢেকে ফেলে শীতল স্নিগ্ধ বাতাসের পরশ। শীতল বাতাসের স্পর্শে দূর পাহাড়ের সবুজ রং নয়নে লাগে দোলা।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.