রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভায় ড্রেন, সড়ক ও কালভার্ট নির্মাণকাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) আরইউটিডি প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়নাধীন এ উন্নয়ন কার্যক্রমে পৌর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সংস্কার ও ড্রেন নির্মাণকাজ একযোগে পরিচালিত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১০ কোটি ১৯ লাখ টাকা ব্যয়ে চার হাজার ৯৮০ মিটার সড়ক সংস্কার এবং প্রায় এক হাজার ২০০ মিটার ড্রেন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি এলাকায় ড্রেন নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে এবং সড়ক উন্নয়নকাজও দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করেছে।
গোদাগাড়ী পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত সচিব ও সহকারী প্রকৌশলী সারোয়ার জাহান মুকুল বলেন, “গোদাগাড়ী পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে প্রকল্পের কাজ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতিটি ধাপে প্রকৌশলগত মান বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। জনগণের টেকসই সুবিধা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, “ড্রেন, সড়ক ও কালভার্ট নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কাজের মানের বিষয়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।”মাঠপর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বর্ষা মৌসুমেও কাজের গতি সচল রাখতে প্রয়োজনীয় কারিগরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধানে চলমান উন্নয়নকাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে জলাবদ্ধতা নিরসন, যান চলাচল সহজীকরণ এবং বাজার ও আবাসিক এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে এলজিইডি রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেন, “গোদাগাড়ী পৌরসভার উন্নয়ন প্রকল্পটি এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা ও নাগরিক সুবিধা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা নিয়মিত প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং নির্ধারিত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সুফল যাতে সাধারণ মানুষ দ্রুত পেতে পারে, সে লক্ষ্যে এলজিইডি আন্তরিকভাবে কাজ করছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”গোদাগাড়ী পৌরসভা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ড্রেন, সড়ক ও কালভার্ট নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ অব্যাহত রয়েছে।