1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
ভূমিদস্যু মনিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা জালিয়াতি করে জয়নাল আবদিন গং এর সম্পত্তি দখল করার অপচেষ্টা করছে - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে রামগড় উপজেলা প্রশাসনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ পাবনা জেলা পুলিশের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত নকল করতে না দেয়ায় ভোলায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে আটক করা হয়েছে থানা হেফাজত হতে পলাতক আসামিকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা, সীমান্ত হত্যা বন্ধ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি ‎প্রযুক্তি উদ্ভাবনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জমে উঠল এনপিআইইউবির প্রজেক্ট ফেয়ার প্রেম মানতে না পারায় মেয়েকে লাঠির আঘাতে হত্যা মানবিক কাজ করে প্রশংসায় ভাসছেন – ময়মনসিংহের ডিসি সাইফুর রহমান ডেমরায় ধার্মিক পাড়া মাদক নির্মূল কমিটির উদ্যোগে ব্যবসা ও সেবনের বিস্তার রোধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি র‍্যালি “দেশ, জাতি ও মানবতার কল্যাণে নিজেদেরকে নৈতিক ও আদর্শিকভাবে গড়ে তুলতে হবে” -মুহাম্মদ আবদুর রব

ভূমিদস্যু মনিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা জালিয়াতি করে জয়নাল আবদিন গং এর সম্পত্তি দখল করার অপচেষ্টা করছে

reporter এইচ এম জাকির
calendar প্রকাশিত: ১১ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৮ অপরাহ্ণ

এডভোকেট ও সাংবাদিকতার মত দুটো মহান পেশার পরিচয় দিয়ে ভোলা সদরের জংশনে ভূমিদস্যু মনিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা জালিয়াতি করে ও ভুয়া তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করে জয়নাল আবদিন গংএর সম্পত্তি দখল করার অপচেষ্টা করছে। ভোলা সদরের অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের জমি আত্মসাৎ, জোরপূর্বক দখল এবং জাল-ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে জমি দাবি করার সুনির্দিষ্ট মৌখিক ও সামাজিক অভিযোগ স্থানীয় পর্যায়ে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার এই প্রবণতা নিয়ে ভুক্তভোগীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ রয়েছে। এডভোকেট মনিরুল ইসলাম বিগত ১৫ বছর ভোলা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন এবং কাচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভোলার প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা নকীব চেয়ারম্যানের ছত্রছায়ায় ভোলা সদরে বিগত ১৫ বছর অনেক সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার নির্যাতন, ভয় ভীতি, অনিয়ম-দুরনীতি মাদ্রাসার নিয়োগ বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। দুদকের উচিত এ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলামের সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখা, এ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম এবং তার ভাই নজরুল ইসলাম এত হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন কিভাবে। মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জমি সংক্রান্ত অনিয়ম ও জালিয়াতির মূল বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো: ভুয়া রেকর্ড ও দলিল তৈরি: বিভিন্ন সময়ে তিনি নিজের আইনি জ্ঞান এবং আদালতের প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ ও নিরীহ মানুষের পৈতৃক বা কেনা জমির ভুয়া ও জাল কাগজপত্র (দলিল/পর্চা) প্রস্তুত করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অবৈধ মালিকানা দাবি: এসব জাল-কাগজপত্রের ওপর ভিত্তি করে তিনি এবং তার সহযোগীরা ওই সব জমির মালিকানা দাবি করে প্রকৃত মালিকদের উচ্ছেদ বা হয়রানি করতেন।
আইনি জটিলতায় ফেলা: কোনো সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করলে আইনজীবী হিসেবে নিজের প্রভাব খাটিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা বা সাজানো মামলা ঠুকে দিয়ে জমি ছেড়ে দিতে বাধ্য করার কৌশল নিতেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। সাধারণ মানুষের ভুমি আত্মসাতের এই বিষয়গুলো নিয়েও স্থানীয় আইনজীবী সমাজ ও ভুক্তভোগীরা তার কঠোর শাস্তি ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানিয়ে আসছেন। ভোলা সদরের জংশন এলাকার পূর্ব ইলিশা মৌজার মূল্যবান জমিকে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া কালুপুর মৌজার ভুয়া দাগ ও খতিয়ান দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার গুরুতর অভিযোগ অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে রয়েছে। মূলত কালুপুর মৌজার অস্তিত্ব কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে তা নদীতে চলে যাওয়ায়, সেই সুযোগ নিয়ে জালিয়াতির এই নতুন কৌশল তিনি ব্যবহার করছেন বলে স্থানীয়রা দাবি করেন।
এই নির্দিষ্ট ভূমি জালিয়াতি ও হয়রানির পেছনের মূল কৌশলগুলো নিচে দেওয়া হলো: মৌজা পরিবর্তন ও জালিয়াতি: পূর্ব ইলিশা মৌজার যেসব জমি বর্তমানে জংশন বা আশেপাশের এলাকায় অত্যন্ত মূল্যবান, সেগুলোকে তিনি নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়া কালুপুর মৌজার ভুয়া বা জাল দাগ-খতিয়ান দিয়ে নিজের বা তার অনুসারীদের নামে কাগজ তৈরি করেন। যেমন জংশনের মৌলভীরহাট হোসাইনিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার জমিদাতা হচ্ছেন মরহুম জয়নাল আবেদীন কন্ট্রাক্টর, ১৯৯০ সালে জয়নাল আবদীন কন্ট্রাক্টর মাদ্রাসার জন্য প্রায় এক একর জায়গা দান করেছেন, সে মাদ্রাসার নামে লিখে দিতে চেয়েছিল কিন্তু তৎকালীন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মফিজুল ইসলাম সে নিজের নামে নিতে চাওয়ায় জয়নাল আবদিন কন্ট্রাক্টর আর দলিলটি করে দিতে পারেননি। জমিদাতা তখন বলেছিলেন যে, দলিল তিনি মাদ্রাসার নামেই করে দিবেন কোন ব্যক্তির নামে দিবেন না,তার জন্য আর দলিল দেয়া হয়ে ওঠেনি। বর্তমানে মাদ্রাসার প্রিন্সিপালের দায়িত্ব পালন করছেন সাবেক প্রিন্সিপালের ছেলে নজরুল ইসলাম এবং সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন আরেক ছেলে অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম। অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম সম্প্রতি তিনি নিজেকে মাদ্রাসার জমিদাতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। মনিরুল ইসলামের নামে এবং তার ভাই নজরুল ইসলাম জালিয়াতি করে ভুয়া খতিয়ান তৈরি করেছেন একটির নাম্বার হচ্ছে ১২১৮ এবং আরও একটি নাম্বার হচ্ছে ১২২১। এছাড়াও ইলিশা ফেরিঘাট মসজিদের জন্য স্থানীয় লোকজন পূর্ব ইলিশা মৌজার একটি খালের মধ্যে মসজিদ তৈরি করে দিয়েছিল অথচ এখন দেখা যাচ্ছে সেই মসজিদের নামে ভুয়া একটা খতিয়ান তৈরি করেছে যার নম্বর ১২১৭ সেটা দেখিয়ে বলছে সেই জমি নাকি তারা দান করেছে। মসজিদের জায়গার ওখান থেকে আবার দোকানের ভিটা বিক্রি করেও লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই চক্র। সুত্র মারফত জানা যায় ভূমিদস্যু মনিরুল ইসলামের সাথে ইলিশা ভূমি অফিসের কিছু কর্মকর্তা কর্মচারী এবং ভোলা সদর ভূমি সহকারী কর্মকর্তা অফিসের কিছু সার্ভেয়ার এবং কর্মকর্তা এই চক্রের জালিয়াতি খতিয়ান তৈরির সাথে জড়িত রয়েছে। কালুপুর হচ্ছে নদী গর্ভে বিলীন সেই কালুপুর মৌজার নামে ভুয়া খতিয়ান তৈরি করে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে তাদের জায়গা জমি দাবী করছে অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম, তার ভাই নজরুল ইসলাম, তার চাচা এম এ জাহের, তার ফুফাত ভাই নূরে আলম সহ একটি ভূমিদস্যুচক্র। মৌলভীরহাট মাদ্রাসার জমিদাতা মরহুম জয়নাল আবেদীন কন্ট্রাক্টর মাদ্রাসার পাশেই আরো এক একর চল্লিশ শতাংশ জমি রয়েছে, যেখানে সে নিজে বাড়িঘর, দোকানপাট, সমিল, রাইস মিল নির্মাণ করে দীর্ঘ ৪৩ বছর যাবত বসবাস করে আসছেন। তার নামে পূর্ব চর ইলিশা মৌজার বিএস রেকর্ড হয়েছে যার খতিয়ান নম্বর ১৩৭২। তিনি মারা যাওয়ার পর তার ওয়ারিশগণ সরকারি নিয়ম মেনে প্রতিবছর খাজনা দিয়ে আসছেন, তাদের বর্তমান সাল পর্যন্ত খাজনা অর্থাৎ ভূমি উন্নয়ন কর পরিষদ। মরহুম জয়নাল আবেদিন কন্ট্রাক্টর ১৯৮৯ সালে এই জমি কিনে সেখানে বসবাস করে আসছেন। এখন এই অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম সেই জমিদাতার মূল বাড়িঘর, দোকানপাট জমি দখলের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। মরহুম জয়নাল আবেদিন গং এর সন্তানদের সম্পত্তি দখল করার জন্য অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম জয়নাল আবদীন গং এর সন্তানদের নামে বিভিন্ন ধরনের ভুয়া বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে, তাদের নামে ভুয়া হত্যা মামলার অভিযোগ দিয়ে, রাজনৈতিক নেতার অভিযোগ দিয়ে প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করছে। মরহুম জয়নাল আবেদিন কন্ট্রাক্টর এর বড় ছেলে মোঃ জাকির হোসেন জাতীয় দৈনিক মুক্ত খবরের সিনিয়র রিপোর্টার এবং বিডি প্রেস 24 ডট কম নামের একটি অনলাইন পোর্টালের বার্তা সম্পাদক। গত ৯. ৭.২০২৬ তারিখে তার নামে এবং তার ভাইদের নামে ভুয়া তথ্য ছড়িয়েছে তাদের নামে হত্যা মামলা রয়েছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট, বানোয়াট সাজানো গল্প কাহিনী সাজিয়ে তার সম্পাদিত ভোলা নিউজে সংবাদ প্রকাশ করেছে ভূমিদস্য মনিরুল ইসলাম। সাংবাদিক জাকির হোসেনের জায়গা দখল করার জন্য তার নামে অভিযোগ দিয়েছে সে নাকি স্বেচ্ছাসেবক লীগ ভোলা জেলার নেতা অথচ বিগত ১৫ বছর থেকে বর্তমান পর্যন্ত জাকির হোসেন কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত নয়। সাংবাদিক জাকির হোসেনদের জায়গার অবস্থান ভালো দেখে তার জায়গা দখল করার জন্য ভোলা সদরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদেরকে এবং প্রশাসনকে ভুয়া তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করে ম্যানেজ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে মনিরুল ইসলাম এবং তার সহযোগীরা। এভাবে মানুষের জায়গার অবস্থান ভালো হলেই তাদের নামে ভুয়া তথ্য দিয়ে প্রকৃত মালিকদের উচ্ছেদের চেষ্টা করেন। ওই এলাকার প্রকৃত জমির মালিকরা যখন তাদের জমিতে চাষাবাদ বা স্থাপনা নির্মাণ করতে যান, তখন তিনি এই কালুপুর মৌজার ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে জমির মালিকানা দাবি করেন এবং কাজ বন্ধ করে দেন। কোনো সাধারণ মানুষ এই জালিয়াতির প্রতিবাদ করলে, তিনি আইনজীবী হওয়ার সুবাদে তাদেরকে কালুপুর মৌজার ভুয়া কাগজপত্রের ওপর ভিত্তি করে আদালতে দেওয়ানি মামলা বা ১৪৪ ধারা জারি করিয়ে বছরের পর বছর হয়রানি করেন। আবার সাংবাদিকতার পরিচয় দিয়ে তাদের নামে মিথ্যা নিউজ করেও হয়রানি করেন প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করেন। জংশন ও পূর্ব ইলিশা এলাকার নিরীহ মানুষের পৈতৃক সম্পত্তি এভাবে নদীগর্ভে বিলীন মৌজার নামে ভুয়া কাগজ বানিয়ে দখল করার এই অপচেষ্টা নিয়ে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এই বিষয়ে ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। মরহুম জয়নাল আবেদিন কন্ট্রাক্টর এর ছেলে জাকির হোসেন, আনোয়ার হোসেন, মনোয়ার হোসেন এদের নামে ভুয়া মিথ্যা ও বিভ্রান্তকর তথ্য দিয়ে মনিরুল ইসলামের সম্পাদিত ভোলা নিউজ নামের একটি অনলাইন পোর্টালে ভুয়া তথ্য দিয়ে নিউজ করিয়ে জয়নাল আবেদীন কন্ট্রাক্টারের সন্তানদের মানহানি করছে এবং তাদেরকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। উল্লেখ্য যে ২০২২ সালে ভোলা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন এবং তার ভাই নকীব চেয়ারম্যানের প্রভাব খাটিয়ে এডভোকেট মনিরুল ইসলাম মরহুম জয়নাল আবদীন কন্ট্রাক্টরের ছেলেদের নামে এডিএম আদালতে চারটি মামলা দিয়েছিল এবং তার ফুফাতো ভাই কে দিয়ে ২০১৪ সালে দেওয়ানী আদালতে ১৪৪/১৪ মামলা করেছিল সকল মামলায় জয়নাল আবেদীন কন্টাক্টরের সন্তানরা রায় পেয়েছিল। তারপরও ভূমি অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা এবং প্রশাসনকে নানাভাবে ভুয়া তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করে ম্যানেজ করে জয়নাল কন্ট্রাক্টরের সন্তানদের সম্পত্তি দখল করার জন্য নানাভাবে তাদেরকে হয়রানি করছে এবং তাদের নামে ভুয়া মিথ্যা বিভ্রান্তকর তথ্য ছড়াচ্ছে, ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের নিকট অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম, তার ভাই নজরুল ইসলাম, তার চাচা এম এ জাহের, ফুপাতো ভাই নূরে আলম সহ সকলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। ভুক্তভোগী জয়নাল আবেদিন গং এর সন্তানরা এ বিষয়টি ভোলা সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এমপি মহোদয়কে অবহিত করেছেন, ভোলা সদর মডেল থানায় ভুক্তভোগীরা একটি জিডি করেছেন। এডভোকেট মনিরুল ইসলাম এবং তার ভাই এবং তার সহযোগীরা সকলে মিলে মৌলভীর হাট সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা এবং গাজীপুর হাইস্কুলে শত শত কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্য করেছে গত ১৫ বছরে, মোশারফ চেয়ারম্যানের এবং ভোলা সদরের প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা নকীব চেয়ারম্যানের প্রভাব খাটিয়ে। এ সকল বিষয়ে জানার জন্য অভিযুক্তদের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। ভোলা জেলা প্রশাসন এবং দুর্নীতি দমন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের গত ২৫ বছরের গাজীপুর হাই স্কুল এবং মৌলভীরহাট সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার নিয়োগের সকল তথ্য অডিট করে দেখলেই অনেক বিষয় পরিষ্কার হয়ে যাবে। ভুক্তভোগী জয়নাল আবেদীন গং এর সন্তানরা ভোলা সদর আসনের সংসদ সদস্য, ভোলা জেলা প্রশাসন, ভোলা জেলা পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব ও ভোলা সদর সার্কেলের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট বিনীত অনুরোধ করেন তারা যেন ভূমিদস্যু মনিরুল ইসলামের ও তার সহযোগীদের জালিয়াতির সকল কাগজপত্র তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com