1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
রামুর কচ্ছপিয়ার তিতারপাড়ায় ভূয়া দলিলে দুর্গামন্দির দখলের ফন্দি ফাঁস,মন্দিরে নিজের নাম লিখে মালিকানা দাবি - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান বিবেকের মৃত্যু, মানবতার গুম—বুবি মায়ের মৃত্যু আমাদের কী শিক্ষা দিল? লামায় পাহাড়ধসে শিশুসহ একই পরিবারের ৫ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পিজিসিএলের সিদ্ধান্ত স্থগিত, স্বাভাবিক থাকছে বগুড়ার গ্যাস নেটওয়ার্ক বুয়েটে প্রকাশিত হলো ঢাকাবিষয়ক বিশেষ গ্রন্থ বিটুইন কেয়স অ্যান্ড কোহেশন: অ্যান এক্সপ্লোসিভ রি-ইমার্জেন্স অব ঢাকা মাতামুহুরীতে বিপদসীমার ওপর পানি: মেহেরনামায় বেড়িবাঁধ ভেঙে ঢল, ঝুঁকিতে পেকুয়া পৌরশহর ৮ জুলাই: ব্লকেডে লেখা এক জাগরণের দিন ইয়াংছায় পাহাড় ধসে ভেঙে গেল বসতঘর, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে মানবিক নেজাম উদ্দিন কোম্পানি ভাই-বোনের ঋণের দায়ে বাড়ি দখলের চেষ্টা ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, কাশিমপুর থানায় লিখিত অভিযোগ রামুর কচ্ছপিয়ার তিতারপাড়ায় ভূয়া দলিলে দুর্গামন্দির দখলের ফন্দি ফাঁস,মন্দিরে নিজের নাম লিখে মালিকানা দাবি

রামুর কচ্ছপিয়ার তিতারপাড়ায় ভূয়া দলিলে দুর্গামন্দির দখলের ফন্দি ফাঁস,মন্দিরে নিজের নাম লিখে মালিকানা দাবি

reporter এস.এম লুৎফুর কবির,জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
calendar প্রকাশিত: ৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ণ

কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের মধ্য তিতারপাড়াস্থ শ্রীশ্রী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির দখলের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৯ জুলাই) মন্দিরটির প্রতিষ্ঠাতা কাজল দাশসহ মন্দির পরিচালনা কমিটির সদস্যরা স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ তুলে ধরেন।

তারা বলেন, মন্দিরটি ১৯৮০ সালে কাজল দাশের নেতৃত্বে সমাজের সবাই মিলে প্রতিষ্ঠা করেন, যা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সবাই জানেন। বিশেষ করে অত্র ওয়ার্ডের প্রবীণ মুরব্বি নুরুল আলম সিকদার, রাধাকান্ত দাশ এবং মন্দির কমিটির উপদেষ্টা বিধান দাশ বলেন, ১৯৮০ সালে কাজল দাশের নেতৃত্বেই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমে এটি মাটি দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল। কাজল দাশ দীর্ঘ সময় মন্দিরের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি বিদেশে চলে যাওয়ার সময় একটি কমিটি গঠন করে দিয়ে যান। সেই কমিটির মাধ্যমে দীর্ঘদিন মন্দির পরিচালিত হয়।

কয়েক বছর আগে সমাজের কয়েকটি পরিবার মন্দিরকে কেন্দ্র করে বিরোধ সৃষ্টি করলে অত্র ওয়ার্ডের মেম্বার শাকিল সিকদার ও সমাজসেবক নাছির উদ্দিন সোহেল সিকদার উভয় পক্ষকে ডেকে বিরোধ মীমাংসা করে দেন এবং নিয়মিত পরিচালনার উদ্যোগ নেন। ওই মীমাংসা সভায় সর্বসম্মতিক্রমে শাকিল সিকদারকে আহ্বায়ক করে ১৩ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

মন্দির কমিটির সদস্যরা জানান, ওই কমিটির আহ্বায়ক শাকিল সিকদার, নাছির উদ্দিন সোহেল সিকদার এবং কাজল দাশ মন্দিরের জন্য ৫ শতক জমি ক্রয় করে পরে তা মন্দিরের নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। জমি ক্রয় ও পাকা ভবন নির্মাণে নাছির উদ্দিন সোহেল সিকদার ও শাকিল সিকদার অর্থ সহায়তা করেন। এখনও মন্দিরের যেকোনো সংকটে তারা নিঃস্বার্থভাবে সহযোগিতা করে আসছেন।

মন্দির কমিটির সদস্যরা আরও বলেন, সমাজের ৬৫টি পরিবারের মধ্যে কয়েকজন উগ্র যুবক ছাড়া সবাই বর্তমান কমিটির প্রতি সন্তুষ্ট। কারণ তাদের হাত ধরেই মন্দিরটি পাকা ভবনে রূপ নেয় এবং নিজস্ব জমিতে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ পায়।

তাদের অভিযোগ, বিতর্কিত সুধির দাশ, রাখাল দাশ, স্বপন দাশ, প্রদীপ দাশ ও সজিব দাশ জনৈক কার্তিক চন্দ্র দাশের ওয়ারিশদের কাছ থেকে মাত্র সাড়ে ৮ কড়া জমি ক্রয়ের নামে একটি ভূয়া দলিল সৃষ্টি করে মন্দিরের মালিকানা দাবি করছেন। অথচ তারা যে জমি ক্রয়ের দাবি করছেন, সেটি অন্যত্র ভোগদখলে রয়েছে। এছাড়া কাজল দাশদের মাধ্যমে মন্দিরের নামে জমি দান ও রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হওয়ার অনেক পরে ওই কথিত দলিলটি তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

মন্দির পরিচালনা কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাজল দাশ জানান, সম্প্রতি ওই উগ্র যুবকরা মন্দিরের কর্তৃত্ব নেওয়ার উদ্দেশ্যে রাতের অন্ধকারে মন্দিরের সামনের অংশে নিজেদের নাম লিখে দেন। সেখানে প্রদীপ দাশ—সভাপতি, বিশ্বজিৎ দাশ—সাধারণ সম্পাদক এবং মদন দাশ—অর্থ সম্পাদক উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো দাশপাড়ায় কৌতূহল ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এই প্রথম কোনো মন্দিরের গায়ে সভাপতি, সম্পাদক ও অর্থ সম্পাদকের নাম লিখে মন্দির দখলের অভিযোগ উঠেছে বলে তিনি দাবি করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com