1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
সদরপুরে পদ্মা নদীর ভাঙ্গনে দিশেহারা নদীপাড়ের মানুষ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
কক্সবাজারে নারীর দেহে বিশেষ কৌশলে লুকানো ১,৫০০ ইয়াবা উদ্ধার, আটক ১ বাগমারায় জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা  ঠাকুরগাঁওয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উদযাপন মোহনপুর উপজেলায় জুলাই দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা  ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রশংসিত আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলিম মেম্বার পরিবেশ রক্ষা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান বাঘা থানার ওসির সিলেটে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় ভারীবর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে সেনাবাহিনীর ত্রাণ সামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন অধিনায়ক মেজর হাফিজ দুই দিনের ব্যবধানে জোড়া সম্মাননা পেলেন এশিয়ান টিভির রিপোর্টার ইরফান

সদরপুরে পদ্মা নদীর ভাঙ্গনে দিশেহারা নদীপাড়ের মানুষ

reporter ​সুমন কুমার সাহা
calendar প্রকাশিত: ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ

বিলীন বসতভিটা ও ফসলি জমি, আতঙ্কে ঘরবাড়ি সরাচ্ছে শত পরিবার

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের শয়তানখালী ও মুন্সিরচর এলাকায় পদ্মা নদীর অব্যাহত ভাঙনে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষ। গত কয়েক দিনের তীব্র স্রোতে ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। পদ্মা নদীর ভাঙ্গনে ইতিমধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে একটি ইটভাটা (ফকির ইটভাটা), বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, অন্তত ২৫ টি বসতবাড়ি, কয়েকটি দোকানঘর এবং মাঠের উঠতি ফসল। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, আকস্মিক এই ভাঙনে এলাকায় কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম কয়েক কিলোমিটার পাকা রাস্তাও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
​স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিনই পদ্মা তাদের বসতভিটা ও আবাদি জমি গিলে খাচ্ছে। ভাঙনের তীব্র আতঙ্কে অনেক পরিবার তড়িঘড়ি করে নিজেদের ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র খুলে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন। ভাঙন যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে আরও বহু ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার চরম আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
​নদী পাড়ের বাসিন্দা কয়েকজন ক্ষোভ ও আর্তনাদ প্রকাশ করে বলেন, “চোখের সামনে অনেকের পাকা বাড়ি নদী নিয়ে গেল। ফসলী জমির তো কোনো হিসেবেই নেই। অবিলম্বে নদীর পাড় বাঁধ দেওয়া না হলে আমাদের আর রক্ষা নেই।”
​এলাকাবাসীর জোর দাবি, কেবল অস্থায়ী বালুর বস্তা বা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি নদীশাসনের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহারা পরিবারগুলোর দ্রুত পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন তারা।
​এ বিষয়ে সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরিফ শাওন বলেন, “পদ্মার ভাঙনের বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছি এবং ইতিমধ্যেই বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত নদীশাসনের স্থায়ী কাজ বাস্তবায়ন করা না হলে প্রতিবছরই এই ভাঙন আরও তীব্র আকার ধারণ করবে। আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে অতি দ্রুত কার্যকর ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।”

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com