যেকোন মাধ্যমে যেকোন মানুষের পক্ষ থেকে পাওয়া আবেদন-নিবেদন-সংবাদ পর্যালোচনা করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের। মাঠ পর্যায়ের অনেক কিছু জানার প্রয়োজন আছে। মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতার মাঝে অনেক সত্যতা নিহিত আছে এবং কথার মাঝে অনেক কথা আসে। উল্লেখ্য-শিক্ষিত মানুষের শিক্ষার ভিতরের সু-শিক্ষার আলো দিয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা যখন সরাসরিভাবে যথাযথ দায়িত্ব পালন না করেন এবং মানুষসহ সৃষ্টিকুল উপকৃত না হয়। তখন বঞ্চিত মানুষ-সৃষ্টিকুলের অভিশাপ বিশ্বের উপরে ভর করে। সারা বিশ্বে যত প্রকারের গজব হচ্ছে তা মানুষ ঠকানোর-ন্যায় বিচার না হওয়া-দায়িত্ব পালন না করার অভিশাপের ফসল। ইসলামের উন্নয়নে প্রয়োজন ইসলামের সাথে বাস্তবতার মিল রেখে কাজ করা-মানুষসহ সৃষ্টিকুলের কল্যাণ সাধন করা। ইসলামের কোন সীমা রেখা নেই। ইসলাম শক্তিশালী-সীমাহীন ভালো কর্মের মহাগ্রন্থ আল-কোরআন। কাজ না করার ফলে ইসলামের আলো ছড়িয়ে পড়ছে না-মানুষসহ সৃষ্টিকুল উপকারভোগী হচ্ছেনা। আমরা ইসলামিক বয়ান-আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ইসলাম-কর্মকাণ্ডকে সীমাবদ্ধ রেখেছি। আমরা বিভিন্ন খাতের উন্নয়নের টাকা মিটিংয়ে ব্যয় করে ভালো-ভালো খানা-খাদ্য খাই-গাড়ীতে করে প্যাকেট নিয়ে বাসায় যাই-পকেটে টাকার খাম ঢুকাই। মাঝে-মাঝে ইসলামিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করলাম-ধর্মীয় ইতিহাস শুনালাম-বয়ানকারীদের মোটা অংকের টাকা দিলাম,তাতেই কিন্ত ইসলামের হক আদায় করা হলোনা। ইসলাম আগুন-শীতল। কাজের মাঝে শীতলের জায়গা দখল করতে হবে। ইসলামের আলোকে কর্ম বয়ে আনবে জীবনে জান্নাত-জাহান্নাম। মানুষ ভালো কাজ করার সুযোগ পায় জীবদ্দশায়-মরনের পরে সুযোগ আর হয় কোথায়! ক্ষমতা আলোকিত তখনই হয় যখন শিক্ষার ভিতর থেকে সরাসরিভাবে সু-শিক্ষার আলো দিয়ে ভালো কাজের মাধ্যমে অবদান রাখা যায়। কান কথায় কাজ না করা উত্তম। কান কথায় কাজ করা ব্যক্তিও ভালো নয় এবং কান কথা বলে সত্যকে যে,আড়াল করে সেও ভালো নয়। তাই সরাসরিভাবে পর্যালোচনা করে কাজ করা বেশি উত্তম। ভুল ভ্রান্তি ছড়ানো ব্যক্তিরা ক্ষতিকর কাজ সৃষ্টি করার মাধ্যম। অনেক মুসলমান খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেছেন-মুসলমানদের সহায়তা না পাওয়ার কারণে। অনেক মুসলমান আত্মহত্যা করে মৃত্যুবরণ করেছেন একই কারণে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময়-বিধর্মীরা মুসলমান হয়েছেন দলে-দলে এবং হয়েছেন তাঁর আলোকিত সব কর্মগুণে। আজ কেন মুসলমান খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করে-এগুলো আমাদের মুসলমানদেরকে বুঝতে হবে। মানুষের ক্ষমতা-ধন-সম্পদ-মানুষ-সৃষ্টির কল্যাণে কাজে আসার ও ধন্য জীবন গড়ার জন্য। ওসব থাকার পরেও যে,মানুষ কাজে লাগাতে পারেনা সে বড় দুর্ভাগা।
আমি মোঃ মতিউর রহমান সরদার স্বীকার করছি,যে আপনারা আমার চেয়ে উচ্চশিক্ষায়-শিক্ষিত এবং বাস্তবতার আলোকে অনেক কিছুই জানেন। তারপরেও বিনয়ের সাথে অনুরোধ করছি লেখাগুলো পড়ুন এবং বাস্তবতা জানুন। আশা করি ভালো কিছু না পেলেও ক্ষতিকর কিছু পাবেননা। ভালো কাজে লাগাতে চাইলে-সামান্য হলেও মঙ্গলময় কাজে লাগাতে পারবেন। সব চেয়ে বড় বিষয় হলো বুঝতে পারবেন আমাদের দেশের নেতার-সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নীতি-আদর্শ-ধর্মীয় গুরুখ্যাত মুসলমানদের নীতি-মানবতা-মনুষ্যত্ব কত বড় উন্নতমানের হয় এবং মুসলমানদের কল্যাণে অবদান রাখেন কেমন। উল্লেখ্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কতিপয় রাজাকার-দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার রোষানলের শিকার হয়ে আমি গত ৫ আগস্ট ১৯৯০ সালে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত হই। এছাড়াও আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কতিপয় রাজাকার গত ০২/৩/১৯৯৭ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের লাইব্রেরীতে সারারাত আটকিয়ে রেখে শারীরিকভাবে নির্যাতন-হত্যার চেষ্টা করে। হত্যার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে গত ০৩/৩/১৯৯৭ ইং-তারিখে আমার নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে মতিঝিল থানায় সোপর্দ করে। দেশে অতীতে নির্বাচিত-অনির্বাচিত কোন সরকারের আমলেই ন্যায় বিচার-মানবতা ছিলোনা এবং মানবতা মৃত্যু পুরীতে পরিণ হয়েছে। মানবতা সকলের মনের মাঝে এখনো উদয় হয়েছে,তাও বলা যাবে না। এরশাদ পতনের পরে আমি তত্ত্বাবধায়ক সরকার-বিএনপি সরকার-আওয়ামী লীগের সরকারের কাছেও উক্ত ব্যাপারে অভিযোগ করে ন্যায় বিচার চেয়েছিলাম। অন্ধ মানুষের দুটো চোখ প্রয়োজন,আর যদি কেউ চোখ দেওয়ার কথা বলে,তবে তার পিছনে অন্ধ মানুষ চোখ পাওয়ার আশায় দৌড়ায়। তাই ন্যায় বিচার-সহায়তার আশ্বাস পেয়ে প্রতারক এবং ওয়াদা ভঙ্গকারী সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাস-মজিবুর রহমান সরওয়ার-সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। উক্ত তিন প্রতারকের দুঃসময় সাথে থেকে ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব পালন-দুঃসময় সহযোগিতা করে ও তাদের সুবিধার জন্য ব্যবহার হয়ে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। ওরা ওদের সময়ের মূল্য ও চাহিদা বেশ ভালো বোঝে,আর অন্যের সময়ের মূল্য-চাহিদা বুঝেনা। এইরকম কিছু প্রতারকের হাতে রাজনীতি কুলুষিত হয়েছে এবং মানুষ হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত এবং ওরা হয়েছে সীমাহীন অর্থ-সম্পদের মালিক। বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ বিএনপি করে শুধু শহীদ জিয়া-বেগম জিয়া-তারেক রহমানসহ দলের আলোকিত নেতার নীতি-আদর্শের প্রতি অনুপ্রাণিত হয়ে। আমিও সেই কাতারের মানুষ। কতিপয় সুবিধাবাদীদের হাতে ক্ষতিগ্রস্ত এবং প্রতারিত হওয়ার ব্যাপারে আমি বেগম খালেদা জিয়ার কাছেও একাধিকবার লিখিত অভিযোগ করাসহ সরাসরিভাবেও কথা বলেছি। তিনি আমার কথা শুনে দুঃখ প্রকাশ করে বলেছিলেন কোনদিন ক্ষমতায় আসলে আপনার বিষয়গুলো মনে রাখবো-কাজ করে যান। তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন,তাই দোয়া করি মহান আল্লাহপাক উনাকে জান্নাত নসিব করুন। বিশেষ প্রসঙ্গ। দেশ-জাতির জন্য অত্যন্ত ভয়াবহ ক্ষতিকর কাজ করেছেন ফখরুদ্দিন-মইনুদ্দিন এবং তাদেরই হাত ধরে খুনি-লুটেরা শেখ হাসিনার আগমন ঘটেছে। তাই জাতীয় উন্নয়নের স্বার্থে শেখ হাসিনা স্বৈরাচারের পতন ঘটানোর লক্ষ্যে এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসানোর উদ্দেশ্যে দীর্ঘ ১৬ বৎসর আন্দোলন-সংগ্রামে জাতি অংশগ্রহণ করেছেন-আমিও ধারাবাহিকভাবে অংশগ্রহণ করেছি। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে জাতির ১৬ বছরের চাহিদা ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে পূরণ হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে নির্বাচিত করার মাধ্যমে জাতি তাদের পছন্দের দল নির্বাচিত করেছেন। অনেক ঝড়-তুফান-বাধা অতিক্রম করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে জাতি বিজয়ের মালা পড়িয়েছেন। সুতরাং দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত সরকারের পক্ষ থেকে স্বাভাবিক উন্নয়নে সহযোগীতাসহ ন্যায় বিচার-মানবিক সহায়তা পাওয়ার প্রত্যাশা আমিসহ সাধারণ মানুষ রাখতেই পারেন। উল্লেখ্য সরকার নিয়ন্ত্রিত দেশের একমাত্র ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউন্ডেশন। সেই প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমি যেভাবে জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছি তার বিবরণ অবগত করে প্রধানমন্ত্রী-ধর্মমন্ত্রী-ডিজি-ইসলামিক ফাউন্ডেশন বরাবরে ধর্মীয় দৃষ্টিতে ন্যায় বিচারসহ ইনসাফ ভিত্তিক সহায়তা চেয়ে আবেদন করেই আসছি। প্রয়োজনের তাগিদে তাদের কাছে আমি ধারাবাহিকভাবে আবেদন জানিয়ে যাচ্ছি। আমি গাড়ি-বাড়ি-লাইসেন্সসহ অপ্রয়োজনীয় কোন সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার জন্য সরকারের কাছে আবেদন এবং দল করি নাই এবং দালালি-তদ্বিরের কাজ নিয়ে কারো কাছে যাই নাই। ওসব উন্নয়ন দরকার আমাদের উচ্চাবিলাসী প্রতিনিধিদের ও দালাল-ধান্দাবাজদের। সেই প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলছি। দেশের অনেক সাধারণ মুসলমান-ইসলামিক দৃষ্টিতে ন্যায় বিচার-সহায়তা না পেয়ে তিলে-তিলে মৃত্যুবরণ করেছেন অথবা আত্মহত্যা করা মহাপাপ তা জেনে-শুনে-বুঝেও বাধ্য হয়ে কোন না কোনভাবে অনেকে আত্মহত্যা করে মৃত্যুবরণ করেছেন। এসবের দায় কবরে গিয়ে আমাদের প্রতিনিধিদেরকে নিতে হবেই। ক্ষমতাবান-ধনী শ্রেণির মুসলমান-ধর্মীয় প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে ন্যায় বিচার না পেয়ে অনেক সাধারণ মুসলমান খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেছেন। অনেক মুসলমান পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন। দুঃখজনক হলেও সত্যি বিষয় হচ্ছে নানামুখী সমস্যার চাপ সহ্য করতে না পেরে-মুসলমান কর্তৃক মুসলমান জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়ে অনেকে নামাজ পড়া ছেড়ে দিয়েছেন। আমরা অনেক বাস্তবতা জানিনা এবং জানার পরেও সঠিক পথে এসে দায়িত্ব পালন করি না। আমাদের মত সাধারণ মুসলমানদের মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা আছে এবং এ বিষয়গুলোই হচ্ছে জীবনের বাস্তবতা। আমি যেহেতু পারিবারিক সূত্রে কোন অন্যায়-অপরাধী পরিবারের সন্তান নই। সেহেতু অন্যায়-অপরাধের পথ বেছে নিয়ে আমার বেঁচে থাকার কোন আশাও নেই। সে কারণেই সহায়তা চাওয়া। এ দুনিয়ায় ভোগ-বিলাসী জীবনযাপন করবেন ঋণ খেলাপি-দুর্নীতিবাজ প্রতিনিধিরা আর আমরা চাই স্বাভাবিক উন্নয়নে সহযোগিতা। সাধারণদের স্বাভাবিক উন্নয়নের বেলায়ও আমাদের প্রতিনিধিদের কলম চলে না- ক্ষমতা-মানবতা কাজে আসেনা। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জুলুমের বিবরণ তুলে ধরতে কষ্ট হয়। কিন্ত দুঃখ হয়,ধর্মমন্ত্রী-মহাপরিচালক-ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কাছে যেভাবে আমার বিষয়গুলো তুলে ধরেছি,তাতে ধর্মীয় বিবেক একটু কাজ করা প্রয়োজন ছিল। আমি মুসলমান পরিচয় দিয়ে যদি আমার বিষয়গুলো কোন বিধর্মীদের কাছেও তুলে ধরে সহায়তা চাইতাম,তাহলেও আমার বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে-বিধর্মীরাও এগিয়ে আসতেন। আমি মুসলমান হয়ে মুসলমান প্রতিনিধির সহযোগিতা কামনা করেছি।
বিশ্বাস আছে ধর্মমন্ত্রী হিসেবে গুরু দায়িত্ব নিয়ে ন্যায় বিচার-ইনসাফ ভিত্তিক সহায়তা করবেন এবং ইনসাফের রং কেমন হয় তা দেখাবেন। ওলামায়ে কেরামদের মুখে শুনি ন্যায়-ইনসাফ ভিত্তিক,কিন্তু এগুলোর রং কেমন তার প্রমাণ পেলাম না এবং মহানবী (সঃ) এর মত তাদেরকে মাঠে কাজ করতেও দেখলামনা। আমার উপর যেভাবে জলুম-নির্যাতন-হত্যার চেস্টা করা হয়েছে-অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে ও কাজ করিয়ে টাকা না দেওয়ার বিবরণ উল্লেখ করে যেভাবে আবেদন করছি। তাতে ধর্মমন্ত্রীর উচিত ছিল ন্যায়-মানবিক বিচারের স্বার্থে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা। এ সমস্ত ব্যাপারে তো প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করার দরকার হয়না। মানুষ যখন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-প্রতিষ্ঠানের প্রধানের থেকে সহযোগিতা না পায় তখনই রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীসহ সমাজের কাছে আবেদন জানায়। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে মুসলমান যদি ধর্মীয় দৃষ্টিকোণের আলোকে ন্যায় বিচার-সহায়তা না পায়,তাহলে মুসলমান যাবে কোথায়? ইসলামিক ফাউন্ডেশনে দুর্নীতি-নানামুখী অপকর্ম-লুটপাট কম হয় নাই,কিন্ত বিচার দৃষ্টান্তমুখী হয় নাই। দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিরাও পার পেয়েছে,আর মানবতার প্রশ্নে সহযোগিতা পাওয়া বড় দায়। আমি ১১ বছর কাজ করেছি-ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাব-ষ্টেশনে-সেই হিসেবেও আমি কি ইসলামের আলোকে ক্ষতিপুরণের টাকা পেতে পারি না। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে লাখ-লাখ টাকা অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিরা ক্ষমতার জোরে অনুদান পেয়ে অতিরিক্ত উপকৃত হয়েছে৷ ইসলামের-মানুষের-মানবতার উন্নয়নে-দেশি-বিদেশি অনেক টাকা সাহায্য আসে। সেই সাহায্য যথাযথভাবে ইসলামের-মানুষের-মানবতার উন্নয়নে কাজে আসে
-নাকি বিভিন্ন প্রকারের বিল-ভাউচার বানিয়ে ভোগ করা হয়,সেগুলো দেখার প্রতিনিধি কোথায়। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মানুষদেরকে বাহিরের মানুষ কেন চরম ঘৃণা করে! ইসলামিক ফাউন্ডেশনে যারাই অপকর্ম করে তারা অসৎ কর্মকর্তাদেরকে ভাগ-বাটোয়ারা দিয়ে ভালো আছে। চুরি-দুর্নীতির ফাইলপত্র ভাগ-বাটোয়ারার মাধ্যমে তারা আলামত ধবংস করে অথবা তদন্তে চোরকে হাজী বানানো হয়। কোন টেবিলে ফাইল পরেই থাকে এবং ফাইল নড়া-চড়া করে না টাকা ছাড়া। ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে আমার ফাইলপত্র গায়েব হয়ে গিয়েছে এবং পাওয়া যায় না,আর সে কারণেই নাকি আমার কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। আমার ফাইলের কি হাত-পাও ছিল যে,ফাইল হেঁটে বাহিরে চলে গিয়েছে। হালাল-ভেজাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য মানসম্পন্ন কোন মেশিন নাই,তারপরেও হালাল প্রকল্প আছে। সেই প্রকল্প থেকে হালাল সনদ দিয়ে থাকেন এবং বিনিময় কিছু খানা খাদ্য পেয়ে থাকেন। আমার প্রতি জুলুম-নির্যাতনের বিষয়গুলিসহ ইত্যাদি বিষয় জাতির সামনে তুলে ধরে বিচার চাওয়া-বলে যাওয়া ছাড়া আমার আর কোন পথ সামনে নাই। বিএনপি’র ও কতিপয় সুবিধাবাদী নেতার জন্য যত ত্যাগ স্বীকার করিনা কেন এবং হাতে প্রমাণ থাকুক না কেন,আমি তো নেতা-এমপি-মন্ত্রীর আত্মীয়-স্বজন নই। সুতরাং সহায়তা না করলেও আমার কিছুই করার নাই। ক্ষমতাবানদের ক্ষমতার সাথে আমি ক্ষমতায় পারবোনা। আমি পারবো অভিযোগ তুলে ধরে আবেদন জানাতে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক কালচার হচ্ছে যে দল যখন বিরোধী দলে থাকে,সে দলের নেতারা তখন মুখে-মুখে সব বিলিয়ে দিবে,আর ক্ষমতায় গেলে সব ভুলে যাবে এবং অঙ্গীকারের কবর দিবে। আমি শহীদ জিয়ার বহুদলীয় গণতান্ত্রিক অধিকার বলে কথা বলছি এবং বলবো। গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি মহোদয় আমাকে মাঠে দেখেছেন-আমার বাস্তবতা শুনেছেন এবং জেনেছেন। তাই আমার প্রতি সদয় হয়ে ধর্মমন্ত্রীর কাছে আমার জন্য সুপারিশ করেছিলেন। ১৬ বছর মাঠে থেকে সক্রিয় দায়িত্ব পালন করেছি। আশা ছিল দেশে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসবে-ন্যায় বিচার পাবো। তাই আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ করার প্রমাণাদি সংযুক্ত করে প্রধানমন্ত্রী-ধর্মমন্ত্রীর কাছে বারবার আবেদন জানিয়ে যাচ্ছি। ধর্মমন্ত্রীর কাছে ইতিপূর্বে দাখিল করা আমার আবেদন পর্যালোচনাপূর্বক উপকৃত করার দায়িত্ব উনার। বাংলাদেশে এমন ইতিহাসও আছে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী পেনশনের টাকা পেয়েছেন কবরে যাওয়ার পরে। বলেন তো সেই টাকা কি কোন কাজে আসে। মানুষের টাকার ও সহযোগীতার দরকার হয় জীবদ্দশায়। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রেস শাখায়,সহকারী মনো অপারেটর পদে কর্মরত থাকাবস্থায় অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা কোন নিয়মের ভিতরেই পরেনা। ২০১১ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ইফাঃ এর সাব-স্টেশনের দায়িত্ব পালন করেছি। সেই হিসেবে টাকা পরিশোধ না করা কি ইসলামিক দৃষ্টিতে সঠিক হতে পারে! এই পর্যায়ে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী-ধর্মমন্ত্রী-ধর্ম সচিব-ডিজি,ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কাছে বিষয়গুলো তুলে ধরে সহায়তা কামনা করে পুনরায় আবেদন করলাম। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কিছু মুনাফিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কান কথায় কাজ করলে ইসলামের আলোকে কোন ভালো কাজ করা যাবে না। ভালো কাজ করতে হলে-ধর্মমন্ত্রী-ডিজি-ইসলামিক ফাউন্ডেশন-ভালো কর্মকর্তাদের সু-শিক্ষার আলোকে সরাসরিভাবে কাজ করতে হবে। যারা ন্যায়ের পক্ষে এবং হক পথে সহযোগিতা চায় ও মজলুম তাদের প্রতি যাতে জুলুম না হয়-সেদিকে বেশি করে দৃষ্টি দান করতে হবে। ইসলাম শান্তির ধর্ম এবং তার প্রমাণ কাজের মাধ্যমে আমাদের প্রতিনিধিদেরকে দিতে হবে। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক-বিপুল ভোটে নির্বাচিত সরকারের সকল প্রতিনিধি যদি ন্যায়-নিষ্ঠার সাথে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চাহিদার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে ৫ বৎসর কাজ করেন,তাহলে বিএনপির সুনাম বৃদ্ধি পাবে এবং মানুষ উপকৃত হবেন। সেই চাওয়াই হোক এই সরকারের মূল চাওয়া। আমার শেষ কথা হলো-আমি যদি শেষ পর্যন্ত স্বাভাবিক প্রয়োজন মিটানোর তাগিদে ন্যায়-ইনসাফ ভিত্তিক সহযোগিতা না পাই-তবে পরবর্তী ঘটনার জন্য দাই থাকতে হবে ধর্মমন্ত্রী-ডিজি ইফাঃ ও বিএনপির কতিপয় নেতা। এ ব্যাপারে মহাপুলিশ পরিদর্শক বরাবরে আমি-আমার বিষয়গুলো লিখিতভাবে অবগত করে যাবো।