1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
ধামরাই খাদ্য গোডাউনে অনিয়মের অভিযোগ: সাংবাদিককে ডিলারের মাধ্যম দিয়ে বিকাশ নম্বর চাওয়ার নেপথ্যে কী? - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
ইউপি সচিব আবুল কালাম আজাদের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন কৃষি সমৃদ্ধি বিসি আইসি ও বি,এ,ডি,সি সার ডিলারগণের সাথে মতবিনিময় সভা, ময়মনসিংহে লাইসেন্স বিহীন গেইন ফিডকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করলেন ইউএনও ইউএনডিপি-জেলা পরিষদের যৌথ প্রকল্প নিয়ে রাঙ্গামাটিতে অবহিতকরণ সভা বিয়ের দাবিতে ওমান প্রবাসী প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর ৪ দিন অবস্থান, এলাকায় চাঞ্চল্য! নতুন পঞ্চগড় বিনির্মাণের লক্ষ্যে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে নবনিযুক্ত পঞ্চগড় জেলা পরিষদ প্রশাসক এম.এ.মজিদের মতবিনিময় দক্ষিণ আইচায় পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ সৈয়দ নূরুল আলম শাহ আমিরীর (রহ.) ২২তম ওরশ উপলক্ষে পটিয়া আমির ভান্ডারে বর্ণাঢ্য আয়োজন ব্যবসায়ী থেকে জননেতা: বাঁশখালীর মানুষের কাছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে মজিবুর রহমান সিআইপি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি

ধামরাই খাদ্য গোডাউনে অনিয়মের অভিযোগ: সাংবাদিককে ডিলারের মাধ্যম দিয়ে বিকাশ নম্বর চাওয়ার নেপথ্যে কী?

reporter  নান্নু মিয়া
calendar প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ

​ঢাকার ধামরাই উপজেলা খাদ্য গোডাউনে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বহীন আচরণ ও ডিলারের পক্ষ থেকে আর্থিক সুবিধা বা সম্মানি দেওয়ার প্রস্তাব পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

​সম্প্রতি গোডাউনের কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. এনামুলকে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজে কোনো তথ্য না দিয়ে মো. ওহাব নামের এক খাদ্যশস্য ডিলারের নম্বর দিয়ে তার সঙ্গে কথা বলার নির্দেশ দেন।

​নির্দেশনা অনুযায়ী ওই ডিলারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তথ্য দেওয়ার পরিবর্তে উল্টো আর্থিক লেনদেনের প্রস্তাব দেন। ডিলার মো. ওহাব ফোনালাপে বলেন, আমি সবাইকে সম্মানি দিয়ে থাকি, আপনার বিকাশ নম্বরটা দেন।

​একজন সরকারি কর্মকর্তা তথ্য সংগ্রহে আসা সংবাদকর্মীর সঙ্গে নিজে কথা না বলে কেন একজন ডিলারের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিলেন—তা নিয়ে স্থানীয় মহলে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া সরকারি দায়িত্বশীল পদে থেকে খাদ্যশস্য ডিলারের মাধ্যমে সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণ বা তথ্য ব্যবস্থাপনা করার বিষয়টি কতটা আইনসম্মত ও নিয়মসঙ্গত, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে গভীর সংশয়।

​স্থানীয়দের মতে, সরকারি খাদ্য গোডাউনের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। খাদ্যশস্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ খাতে কর্মকর্তাদের এ ধরনের আড়ষ্টতা এবং ডিলারের মাধ্যমে ‘সম্মানি’ দেওয়ার সংস্কৃতি গোডাউনের সামগ্রিক কার্যক্রমে বড় ধরনের অনিয়মের ইঙ্গিত দেয়। ডিলারের ওই প্রস্তাবের পেছনে কোনো অনৈতিক আর্থিক লেনদেন বা অনিয়ম ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন সচেতন মহল।

​এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. এনামুলের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com