1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
চায়না দুয়ারী জাল তৈরির কারখানা: কর্মসংস্থান ও জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ উৎস - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
​তথ্য গোপন করে পাসপোর্ট তৈরির অভিযোগ: সুনামগঞ্জের সরকারি নারী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদন ঘিওরে সরকারি খাল দখলমুক্ত ও পুনঃখননের দাবিতে ৪ গ্রামের মানববন্ধন: পরিমাপ শেষে উচ্ছেদের আশ্বাস মুলাদীর ৭ নং কাজিরচর ইউনিয়নের রেইনট্রিতলা স্টিল ব্রিজটি বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ রাজশাহী জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, কল্যাণসভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফুলগাজী উপজেলা পরিষদে ২৬ ব্যাংক চেক মাধ্যমে প্রায় ৫১ লাখ টাকার জালিয়াতির অভিযোগ, তিন কর্মচারীর গ্রেফতার মোহনপুরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ রাজশাহীর সময় ও বাংলার বিবেক লক্ষ্মীপুরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সমিতির নবগঠিত কমিটির সভাপতি মনোয়ার হোসেনকে গণসংবর্ধনা কসবায় রিকভারি ব্যাংক কর্মকর্তার ওপর হামলা, ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল  ঘোড়াঘাটে ক্যাশলেস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন ঘোড়াঘাটে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

চায়না দুয়ারী জাল তৈরির কারখানা: কর্মসংস্থান ও জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ উৎস

reporter বিশেষ প্রতিনিধি
calendar প্রকাশিত: ৭ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চায়না দুয়ারী জাল তৈরির কারখানাগুলো স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এসব কারখানায় কাজ করে বহু নিম্নআয়ের মানুষ তাদের জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পাচ্ছেন। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় যেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত, সেখানে এ ধরনের কারখানা অনেক পরিবারের আয়ের উৎস হিসেবে কাজ করছে।
কারখানা সংশ্লিষ্টদের দাবি, দেশের অনেক খাল-বিল, নদ-নদীতে পানি কমে যাওয়া এবং প্রাকৃতিক কারণে মাছের উৎপাদন হ্রাস পাওয়ায় জেলেরা বিকল্প উপায়ে মাছ ধরার বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করছেন। এ অবস্থায় চায়না দুয়ারী জালের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসার ক্ষেত্রও সম্প্রসারিত করেছে।
কারখানার মালিকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন এবং এর মাধ্যমে বহু শ্রমিকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে। তাদের মতে, হঠাৎ করে কারখানা বন্ধ হলে শ্রমিকদের জীবিকা সংকটে পড়তে পারে। তাই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বাস্তব পরিস্থিতি, পরিবেশগত প্রভাব, মৎস্যসম্পদের সংরক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের বিষয়গুলো সমন্বিতভাবে মূল্যায়ন করা।
তবে মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ধরনের জাল যদি দেশের প্রচলিত মৎস্য আইন বা পরিবেশ সংরক্ষণ নীতিমালার পরিপন্থী হয়, তাহলে তার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। কারণ অপরিকল্পিত মাছ শিকার জলজ জীববৈচিত্র্য ও মৎস্যসম্পদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
স্থানীয়দের অভিমত, সরকার একদিকে যেমন মৎস্যসম্পদ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, অন্যদিকে কর্মসংস্থান ও ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরিবেশবান্ধব ও আইনসম্মত উৎপাদন ব্যবস্থার মাধ্যমে শিল্প ও কর্মসংস্থানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন কারখানা মালিক ও শ্রমিকরা। তারা আশা করছেন, তথ্যভিত্তিক তদন্ত ও বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনার মাধ্যমে এমন একটি সমাধান বের হবে, যা মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন—সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com