1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
সবুজের আড়ালে লুকিয়ে থাকা চা শ্রমিকদের অদম্য জীবনসংগ্রাম - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
ইসলামপুরে রাস্তা নষ্ট করে ফসলি মাটি গিলে খাচ্ছে মেম্বার মোতালেব কাজী: প্রশাসন নীরব ভূমিকায় বদলির আদেশ উপেক্ষা করে সিএফ কার্যালয়ে দাপুটে হিসাবরক্ষক ইউছুপ পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের ১১ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরন চকরিয়ায় মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সচেতনতামূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত কসবায় উঠান বৈঠকে সরকারি সেবা ও জনসচেতনতার বার্তা শেরপুর সদরে ১০ দিনব্যাপী ফিস্টুলা ক্যাম্পেইন শুরু খুলনার বারোআড়িয়া – ডুমুরিয়া সড়ক যেন মরণফাঁদ প্রতিদিন দুর্ভোগ হাজারো মানুষের ঘোড়াঘাটে সার বিক্রয়ে অনিয়ম: ৩ ব্যবসায়ীকে জরিমানা এমপি সাদিক রিয়াজ পিনাক চৌধুরীর অর্থায়নে কাঠের সেতু নির্মাণ: বিরলে অবসান হলো হাজারো মানুষের দুর্ভোগের ইলিশের আকাল ভরা মৌসুমে, নিষিদ্ধ জাল ও নাব্যতা সংকটই দায়ী

সবুজের আড়ালে লুকিয়ে থাকা চা শ্রমিকদের অদম্য জীবনসংগ্রাম

reporter নাহিদা আক্তার পপি
calendar প্রকাশিত: ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ

প্রকৃতি যেন আগুন ঝরাচ্ছে। জ্যৈষ্ঠের প্রখর রোদে জনজীবন যখন হাঁসফাঁস করছে, তখনও জীবিকার তাগিদে খোলা আকাশের নিচে অবিরাম পরিশ্রম করে যাচ্ছেন
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার হাজার হাজার চা শ্রমিক। তীব্র তাপপ্রবাহ, ঝড়-বৃষ্টি কিংবা বৈরী আবহাওয়া—কোনো কিছুই তাদের জীবনসংগ্রামকে থামাতে পারে না।

জুড়ী উপজেলার সাগরনাল, রত্না, সোনারূপা, ধামাই, কুচাই ও শিলুয়াসহ বিভিন্ন চা বাগানে প্রতিদিন ভোরের আলো ফুটতেই শুরু হয় শ্রমিকদের কর্মব্যস্ততা, কাঁধে ঝুড়ি নিয়ে সারাদিন চা পাতা সংগ্রহে ব্যস্ত থাকেন তারা, মাথার ওপর প্রখর সূর্য আর শরীরজুড়ে ক্লান্তি থাকলেও পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার দায়িত্ব তাদেরকে প্রতিনিয়ত মাঠে টেনে আনে।

চা বাগানের সবুজ প্রকৃতির আড়ালে লুকিয়ে আছে হাজারো শ্রমিক পরিবারের সংগ্রামের গল্প। প্রতিদিনের আয়-রোজগারের ওপর নির্ভরশীল এসব পরিবারে একদিন কাজ বন্ধ থাকলে নেমে আসে অনিশ্চয়তা। তাই প্রচণ্ড গরমেও থেমে থাকার সুযোগ নেই তাদের।

বিভিন্ন শ্রমিকরা জানান, তাপমাত্রা যতই বাড়ুক না কেন, কাজ করতেই হয়। কারণ দিনের শেষে সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দেওয়া এবং সংসারের খরচ চালানোর দায়িত্ব তাদের কাঁধেই।

রত্না চা বাগানের সভাপতি সুমন ঘোষ বলেন, প্রতিদিন ভোরের আলো ফুটতেই শ্রমিকদের কর্মব্যস্ততা শুরু হয়, ঘুম থেকে উঠে তারা নির্ধারিত কর্মস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন। কোন সেকশনে কাজ করতে হবে, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পাওয়ার পরই চা পাতা সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করেন শ্রমিকরা। বৈরী আবহাওয়া কিংবা তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যেও জীবিকার তাগিদে তারা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

ইউপি সদস্য প্রদীপ যাদব বলেন, চা বাগানের শ্রমিকদের ঘামঝরা পরিশ্রম ও ত্যাগের ফলেই আজ চা বাগানগুলো এত সুন্দর ও সমৃদ্ধ, প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম আর নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে তারা জীবনযাপন করেন। তবে শত দুঃখ-কষ্ট ও সংগ্রামের মাঝেও তাদের মুখে লুকিয়ে থাকে একরাশ হাসি, যা তাদের অদম্য মনোবল ও জীবনসংগ্রামের প্রতিচ্ছবি।

দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাত চা শিল্পের মূল চালিকাশক্তি এই শ্রমিকরা,তাদের কঠোর পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের ফলেই দেশের চা শিল্প এগিয়ে যাচ্ছে, অথচ জীবনের নানা প্রতিকূলতার সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করে যাচ্ছেন তারা।
প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের এই সময়ে চা শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল কারণ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এই মানুষগুলোর কল্যাণেই টিকে আছে চা শিল্পের।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com