1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
রামগঞ্জে আবাসিক হোস্টেল থেকে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
সখীপুরের অনয়া সরকার লোকগীতিতে দেশসেরা হওয়ার স্বীকৃতি স্বরপ প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক গ্রহণ লাখো ভক্তের জয়ধ্বনি ও রথটানের মধ্য দিয়ে ধামরাইয়ে শুরু হলো ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী যশ মাধবের রথযাত্রা উৎসব শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণে বাঘায় জুলাই শহীদ দিবস পালন বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১০ শ্রমিক; ৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক দীঘিনালার মেরুং ইউনিয়নে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ বিতরণ, সেবা পেলেন ৪৬৭ জন আলীকদমের দুর্গম এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে ‘আনছার আহাম্মদ সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন’ গাজীপুরে শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী মানিক্য মাধবের রথযাত্রা শুরু খুলনায় জুলাই শহিদ দিবস পালিত দিনাজপুরের ‎বিরামপুরে জুলাই শহীদ দিবস পালন আড়াইহাজারে তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টার শুভ উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী ও সচিব

রামগঞ্জে আবাসিক হোস্টেল থেকে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

reporter স্বপ্নীল চৌধুরী জাবেদ , রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) 
calendar প্রকাশিত: ১৮ জুন, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ফরিদ আহমদ ভূঁইয়া একাডেমির আবাসিক হোস্টেল থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা, ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও প্রশাসনকে প্রায় ছয় ঘণ্টা চেষ্টা চালাতে হয়। এ ঘটনায় পুলিশ, সাংবাদিক, শিক্ষকসহ প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,  গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে ফরিদ আহমদ ভূঁইয়া একাডেমির আবাসিক হোস্টেলের ৬ নম্বর কক্ষসংলগ্ন বারান্দা থেকে শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেন তার সহপাঠীরা। পরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাকে দ্রুত চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় জনতা একাডেমি প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা কলেজের অভ্যর্থনা কক্ষ, প্রধান ফটক এবং অধ্যক্ষের ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মোহাম্মদ ফিরোজ উদ্দিন, কাজী আতিকুর রহমান, মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং শাহাদাত হোসেন সেলিম-এর হস্তক্ষেপে গভীর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হয়। নিহত মেহেদী হাসান রামগঞ্জ পৌরসভার সোনাপুর এলাকার ব্যবসায়ী জিয়া উদ্দিনের ছেলে। পরিবারের দাবি, তাদের সন্তানকে নির্যাতনের কারণে প্রাণ হারাতে হয়েছে এবং তারা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও বার্তায় নিজেকে মেহেদীর সহপাঠী পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি দাবি করেন, হোস্টেলে একটি মোবাইল ফোন হারানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল। তবে ওই অডিওর বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর একাডেমি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অধ্যক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে মোহাম্মদ ফিরোজ উদ্দিন বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। প্রশাসন ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com