1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
ভোলায় নদী ভাঙ্গন, পাউবো কার্যালয় ঘেরাও, সড়ক অবরোধ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
“বেড়িবাঁধের দুটি ভাঙ্গন অংশ মেরামত”পেকুয়ায় পানিবন্ধি ৭ হাজার পরিবার পেল শুকনো খাবার গাজীপুরে পোল্ট্রি ফিড-ফিস ফিড পণ্যে বিএসটিআই’র ভ্রাম্যমাণ আদালতে আট লক্ষ টাকা জরিমানা বর্ষা শুরু হলেও ডিএনডির অভ্যন্তরীণ খাল অপরিষ্কার, পানিবন্দি হওয়ার শঙ্কায় লাখো মানুষ সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল মোকাবিলায় হালুয়াঘাটে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা জলঢাকায় কৃষিজমির মাটি কাটার অভিযোগ, বেহাল গ্রামীণ সড়ক রামগঞ্জে স্বেচ্ছাশ্রমে পানিয়ালা–কামাররোড সড়কের বড় গর্ত সংস্কার ‎নিয়ামতপুরে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা  ‎দেওয়ানগঞ্জে ইউএনওর পরিদর্শনে অনিয়ম, পদত্যাগ করলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিরলে বিরোলিয়া এর মোড়ক উন্মোচন ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে মাদকাসক্ত কারাবন্দীদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বিশেষ কাউন্সিলিং

ভোলায় নদী ভাঙ্গন, পাউবো কার্যালয় ঘেরাও, সড়ক অবরোধ

reporter সাব্বির আলম বাবু
calendar প্রকাশিত: ১৬ জুন, ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ

অব্যাহত মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবিতে ভোলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কার্যালয় ঘেরাও ও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দারা। মঙ্গলবার, ১৬ জুন দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর, মেদুয়া ও ধনিয়া ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ ভোলার ঘুযীর ঘোলে অবস্থিত ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয় ঘেরাও করেন। পরে তারা ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। বিক্ষোভ করে ভোলা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মেঘনার অব্যাহত ভাঙনে ভোলা শহর রক্ষা বাঁধসহ শিবপুর, মেদুয়া ও ধনিয়া ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা হুমকির মুখে পড়েছে। গত এক মাসে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে শতাধিক পরিবার বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে এবং প্রায় ৫০০ একর ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়েছে। এছাড়া মাছঘাট, বাজার, মসজিদসহ বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙনের কবলে পড়েছে। বিক্ষোভকারীরা জানান, ভাঙনের তীব্রতায় শিবপুর ও মেদুয়ার গুরুত্বপূর্ণ মাছঘাট, পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অসংখ্য বসতবাড়ি এবং ভোলা শহর রক্ষা বাঁধ এখন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বেসরকারিভাবে গড়ে ওঠা ইপিজেড প্রকল্পের জমিও ভাঙনের কারণে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। তাদের দাবি, আর মাত্র ১০ মিটার ভাঙন অব্যাহত থাকলে শহর রক্ষা বাঁধও নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা হলে ভোলার লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়তে পারেন।
এসময় আন্দোলনরত এলাকাবাসী দ্রুত সিসি ব্লক ফেলে নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন চললেও কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড ভোলা-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দীন আরিফ বলেন, ‘ভাঙনকবলিত শিবপুর ও মেদুয়া এলাকায় জরুরিভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছে। পাশাপাশি ভাঙন রোধে ভোলা সদরের ধনিয়া, কাচিয়া ও শিবপুর ইউনিয়নে প্রায় ৭৩০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পেলেই স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।’
এদিকে মেঘনার অব্যাহত ভাঙনে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভোলা শহর রক্ষা বাঁধসহ আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com