1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
চেয়ারম্যান লাখমিয়া এক বৃদ্ধা মাকে গৃহবন্দী করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
সখীপুরের অনয়া সরকার লোকগীতিতে দেশসেরা হওয়ার স্বীকৃতি স্বরপ প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক গ্রহণ লাখো ভক্তের জয়ধ্বনি ও রথটানের মধ্য দিয়ে ধামরাইয়ে শুরু হলো ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী যশ মাধবের রথযাত্রা উৎসব শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণে বাঘায় জুলাই শহীদ দিবস পালন বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১০ শ্রমিক; ৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক দীঘিনালার মেরুং ইউনিয়নে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ বিতরণ, সেবা পেলেন ৪৬৭ জন আলীকদমের দুর্গম এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে ‘আনছার আহাম্মদ সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন’ গাজীপুরে শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী মানিক্য মাধবের রথযাত্রা শুরু খুলনায় জুলাই শহিদ দিবস পালিত দিনাজপুরের ‎বিরামপুরে জুলাই শহীদ দিবস পালন আড়াইহাজারে তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টার শুভ উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী ও সচিব

চেয়ারম্যান লাখমিয়া এক বৃদ্ধা মাকে গৃহবন্দী করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

reporter নিজস্ব প্রতিবেদক
calendar প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল, ২০২৪, ৪:০৩ অপরাহ্ণ

মোঃ রেজাউল ইসলামঃ নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লাখমিয়া এক বৃদ্ধা মাকে গৃহবন্দী করে রাখার এক অভিযোগ পাওয়া গেছে ।
এমন অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে আড়াইহাজার থানাধীন ব্রাহ্মন্দি ইউনিয়নের শূলপানদি গ্রামের ৪ নং ওয়ার্ডে। জানা যায় নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দি ইউনিয়ন শূলপানদি গ্রামের ৪ নং ওয়ার্ডে বসবাসরত আলাউদ্দিনের বাড়ির জজ মিয়ার ছেলে আমজাদ হোসেন । চেয়ারম্যান লাখ মিয়ার সুতার মিল থেকে সুতা নিয়ে ব্যবসা করতেন জজ মিয়ার ছোটো ছেলে কবির হোসেন।

ব্যবসার লেনদেনে কবির হোসেন লাক মিয়ার ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেনা হয়ে যান। টাকা দিতে না পারায় এক পর্যায়ে কবির হোসেন বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার পর অনেক খোঁজাখুঁজির করেও কবিরকে না পেয়ে তাহার বড় ভাই আমজাদ হোসেন ও ভাবি তানজিলাকে ঈদের দুদিন আগে চেয়ারম্যান হুমকি ধামকি প্রদান করেন ।এতে করে তারা ভয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।

পরবর্তী চেয়ারম্যান তার লোকজন দিয়ে তল্লাশি চালিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় ধরে নিয়ে যান ১৫ই এপ্রিল । এ বিষয়ে আমজাদ হোসেন বলেন আমাদের ধরে নিয়ে আসার সময় চোখ অপারেশন করা আমার বৃদ্ধা মাকে ঘরের ভিতরে রেখে তালা মেরে আসেন।

এ সময় চেয়ারম্যান লাখ মিয়ার অমানবিক ঘটনার নেতৃত্ব দেন ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার খোকন। মেম্বার খোকন উপস্থিত থেকে আমাদের কেসি গেইটে তালা মারেন আমার বৃদ্ধা মাকে ঘরের ভিতরে রেখে। চেয়ারম্যান লাখ মিয়া তার লোকজন দিয়ে ১৫:ই এপ্রিল ২০২৪ ইং সকাল ৯ ঘটিকায় আমজাদ হোসেন ও তার স্ত্রী তানজিলা কে ধরে নিয়ে যান। সূত্রে জানতে পেরে গণমাধ্যম কর্মীরা এর সত্যতা দেখতে পান চেয়ারম্যান লাখ মিয়ার বাড়ি যেয়ে। গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতি হওয়ার আমজাদ হোসেন ও তার স্ত্রী তানজিলা ঘটনার বর্ণনা দেন। আমজাদ বলেন তার ভাই কবির হোসেন লাক মিয়ার ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেনা আছেন কিনা তাদের জানা ছিল না। হঠাৎ করে ঈদের দুই দিন আগে তাদের ঘরে তালা মেরে দেন অমানবিক মানুষ চেয়ারম্যান লাক মিয়া। আমজাদ হোসেন ও তার স্ত্রী তানজিলাকে ধরে নিয়ে আসার পর সকাল ৯ টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত তাদের সাথে দেখা করেননি লাক মিয়া। দীর্ঘ সাত ঘন্টা অপেক্ষা করার পরেও চেয়ারম্যান লাখ মিয়া গভীর নিদ্রায় শুয়েছিলেন। এ সময় জানা যায় দুই বছরের শিশুর মা তানজিলা তার বাচ্চাটিকে অন্যের আশ্রয়ে রেখে আসছিলেন।

দুইজন গণমাধ্যম কর্মী লাকমিয়ার বাড়িতে যেয়েও তার দেখা পাননি। এদিকে আমজাদ হোসেন বলেন ব্যবসার লেনদেন ছিল আমার ভাইয়ের সাথে, তবে এখানে আমার কি দোষ। আমার সাথে অমানবিক কাজটি কেন করেছেন চেয়ারম্যান সাহেব? এদিকে ঘটনার সত্যতা আরো ভালোভাবে জানতে দুইজন গণমাধ্যম কর্মী উপস্থিত হন আমজাদ হোসেনের বাড়ি। অবশেষে দেখা গেল ক্যাসি গেইটে তালা মারা ভিতরে রয়েছেন আমজাদ হোসেনের বৃদ্ধা মা । তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন চেয়ারম্যান তার লোকজন দিয়ে ঘরে তালা মেরেছেন মেম্বার খোকনের নেতৃত্বে।

আমার ছেলে আমজাদ হোসেন ও তার স্ত্রী চেয়ারম্যানের ভয়ে বাইরে বাইরে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। শুনেছি আজকে নাকি ওদেরকে ধরে নিয়ে গেছে চেয়ারম্যান লাক মিয়া তার লোকজন দিয়ে। গণমাধ্যম কর্মীর এক প্রশ্ন উত্তরে আমজাদ হোসেনের মা বলেন এ কয়েদিন আমাদের পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজন খাবার দিয়েছেন গেটের ফাকা দিয়ে, আমরা এখন মানবেতর জীবন-যাপন করছি, আমরা আইন প্রশাসনের নিকট এর সঠিক বিচার চাই। এদিকে গণমাধ্যম কর্মীরা সরজমিনে তথ্য অনুসন্ধানে জানতে পারেন লাক মিয়া নিরীহ অসহায় মানুষের উপর অত্যাচার নির্যাতন জুলুম জবরদখল এ ধরনের অমানবিক আরো বিভিন্ন কর্মকান্ড করে থাকেন। জানা যায় তিনি এত সাহস দেখান সংসদ সদস্য ও হুইপ নজরুল ইসলাম বাবুর নাম বিক্রি করে।

বিষয়টি হুইপ নজরুল ইসলাম বাবুর একান্ত পিএস ওলিকে জানালে তিনি আড়াইহাজার থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ আহসান উল্লাহকে জানাতে বলেন। পরবর্তী বিষয়টি ওসিকে জানালে তিনি ভুক্তভোগী আমজাদ হোসেনের সাথে মুঠোফোনে কথা বলে তাদেরকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে ইউপি সদস্য খোকনের সাথে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যেয়ে ফোন কেটে দেন

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com