1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
কোচিং বাণিজ্যের স্বার্থে এমপিওভুক্ত কলেজের হল ভাড়া? চকরিয়ায় তীব্র সমালোচনা - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
ভরা মৌসুমেও মেঘনায় ইলিশের আকাল, সংকটে তজুমদ্দিনের হাজারো জেলের জীবিকা পানিবন্দি ৭০০ পরিবারের মাঝে হুইপ বকুলের রান্না করা খাবার বিতরণ বিআইডব্লিউটিসি অফিসার্স এসোসিয়েশনের নতুন প্রেসিডেন্ট মানসুরা আহমেদ এবং জেনারেল সেক্রেটারি রুবেলুজ্জামান প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে রামগড় উপজেলা প্রশাসনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ পাবনা জেলা পুলিশের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত নকল করতে না দেয়ায় ভোলায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে আটক করা হয়েছে থানা হেফাজত হতে পলাতক আসামিকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা, সীমান্ত হত্যা বন্ধ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি ‎প্রযুক্তি উদ্ভাবনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জমে উঠল এনপিআইইউবির প্রজেক্ট ফেয়ার প্রেম মানতে না পারায় মেয়েকে লাঠির আঘাতে হত্যা

কোচিং বাণিজ্যের স্বার্থে এমপিওভুক্ত কলেজের হল ভাড়া? চকরিয়ায় তীব্র সমালোচনা

– কোচিং সেন্টারের কাছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন ব্যবহারের সুযোগ নেই, চকরিয়া মহিলা কলেজ নিয়ে তদন্তের দাবি

reporter নুরুল ইসলাম সুমন,  চট্টগ্রাম
calendar প্রকাশিত: ১৫ জুন, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় এমপিওভুক্ত চকরিয়া আবাসিক মহিলা ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবন বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টারের কার্যক্রমে ব্যবহারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি একটি কোচিং সেন্টারের মডেল টেস্ট পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে কলেজের হলরুম ব্যবহার এবং দীর্ঘদিন ধরে রাতের বেলায় কোচিং কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ সামনে আসার পর বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চকরিয়া পৌরসদরের “এ+ স্টুডেন্টস কেয়ার” নামের একটি কোচিং সেন্টারের মডেল টেস্ট পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে চকরিয়া আবাসিক মহিলা ডিগ্রি কলেজের শ্রেণিকক্ষ ও হলরুম ব্যবহার করা হয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এলে তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু মডেল টেস্টই নয়, দীর্ঘদিন ধরে কলেজ ক্যাম্পাসে সন্ধ্যা ও রাতের বেলায় কোচিং সেন্টারের ক্লাসও পরিচালিত হয়ে আসছে। তাদের প্রশ্ন, সরকারি সুবিধাপ্রাপ্ত একটি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো কীভাবে বাণিজ্যিক কোচিং কার্যক্রমে ব্যবহারের সুযোগ পেল।

কয়েকজন অভিভাবক জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠিত। সেখানে বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টারের কার্যক্রম পরিচালিত হলে তা শিক্ষা ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ও নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তারা এ বিষয়ে শিক্ষা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে চকরিয়া আবাসিক মহিলা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জুবাইদুল হক বলেন, “ভাড়া দিইনি, ব্যবহার করতে দিয়েছি।”তবে কোন নীতিমালার আওতায় এবং কার অনুমোদনে কলেজের ভবন কোচিং সেন্টারের ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়েছে—এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

বিষয়টি নিয়ে কক্সবাজারের জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, “কোচিং সেন্টারের কাছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন ভাড়া দেওয়ার কোনো সুযোগ বা এখতিয়ার নেই। এমন অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জেলা শিক্ষা অফিসারের এই বক্তব্যের পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। সচেতন মহলের দাবি, যদি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নিয়মিতভাবে বাণিজ্যিক কোচিং কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়ে থাকে, তাহলে তা শিক্ষা প্রশাসনের তদন্তের আওতায় আনা উচিত।

স্থানীয়দের মতে, একটি নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাডেমিক পরিবেশ রক্ষা এবং শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি জনআস্থা বজায় রাখতে দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযোগ যাতে আর না ওঠে, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে “এ+ স্টুডেন্টস কেয়ার” কোচিং সেন্টারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কল রিসিভ করেননি। ফলে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে পরবর্তীতে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com