1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
কাউয়ারখোপ-মনিরঝিল সেতু নির্মাণের দাবিতে আবারও সোচ্চার এলাকাবাসী - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
সবুজের আড়ালে লুকিয়ে থাকা চা শ্রমিকদের অদম্য জীবনসংগ্রাম মুলাদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল যুগ্ম আহবায়ক কাজী শাহাবুদ্দিন সাবু এর রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া মোনাজাত জলঢাকায় জুলাই শহিদ দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে জমি লিখে না দেওয়ায় বৃদ্ধ বাবা-মাকে মারধর, ছেলে গ্রেফতার পেকুয়ায় থামছেই’না বাইক দূর্ঘটনা! অকালে ঝড়ে যুবকের প্রাণ লালমনিরহাটে সমবায় অফিসে এলাহী কাণ্ড, সরকারি কক্ষে পাতা বিছানা, হাজিরা খাতা নিয়ে লুকোচুরি ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন: ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক কেউ খোঁজ নেয়নি, শফিউল আলম বাদশা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন: পটিয়ার ২,৫০০ বন্যার্ত পরিবারের কণ্ঠে কৃতজ্ঞতার কথা ঘোড়াঘাটে মৃত্তিকা মোহন্ত ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ফটিকছড়িতে বন্যা কবলিত এলাকার এক হাজার পরিবারকে প্রত্যাশীর ত্রাণ সহায়তা প্রদান

কাউয়ারখোপ-মনিরঝিল সেতু নির্মাণের দাবিতে আবারও সোচ্চার এলাকাবাসী

reporter এস.এম লুৎফুর কবির, কক্সবাজার
calendar প্রকাশিত: ১৪ জুন, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ

কক্সবাজারের রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল বাঁকখালী নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বহুল প্রত্যাশিত ‘কাউয়ারখোপ-মনিরঝিল সেতু’ নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হলেও সরকার পরিবর্তনের পর প্রকল্পটি বাতিল হয়ে যায়। ফলে দুই উপজেলার প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার মানুষের প্রত্যাশা অপূর্ণই থেকে যায়।

স্থানীয়দের দাবি, স্বাধীনতার পর থেকেই কাউয়ারখোপের মনিরঝিল এবং নাইক্ষ্যংছড়ির সোনাইছড়ি এলাকার মানুষের জন্য বাঁকখালী নদী ছিল যোগাযোগের অন্যতম বড় প্রতিবন্ধকতা। নদী পারাপারের দুর্ভোগ, শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষিপণ্যের পরিবহনে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা।

২০২১ সালের ২২ আগস্ট তৎকালীন সময়ে সেতু নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়। সে সময় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কনসালট্যান্ট আকতারুজ্জামান সেতুর সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন। দীর্ঘ সেতুটির নকশা প্রণয়ন, হাইড্রোলজিক্যাল ও মরফোলজিক্যাল সমীক্ষা, সয়েল টেস্ট এবং ডিজিটাল সার্ভের প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল।

তৎকালীন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, সেতুটি নির্মিত হলে রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত সহজ হবে এবং দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সংকটের অবসান ঘটবে। পাশাপাশি অবহেলিত মনিরঝিল এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কৃষি ও বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রকল্পটি আর বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি। বর্তমানে এলাকাবাসী আবারও সেতু নির্মাণের দাবি জোরালোভাবে উত্থাপন করেছেন। তাদের মতে, এ সেতু শুধু একটি যোগাযোগ অবকাঠামো নয়, বরং দুই জেলার মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান মাধ্যম।

স্থানীয় বাসিন্দারা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত প্রকল্পটি পুনরায় অনুমোদন দিয়ে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের স্বপ্নের ‘কাউয়ারখোপ-মনিরঝিল সেতু’ বাস্তবে রূপ নিলে রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ির হাজারো মানুষের জীবনমান উন্নয়নের নতুন অধ্যায় সূচিত হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com