1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. backupadmin@wordpress.com : backupadmin :
  3. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  4. system@openreplay.com : wp-backup :
কক্সবাজার খুরুশকুলে ৭৩০ পরিবারের জন্য সম্পূর্ণ ফ্রিতে লটারির মাধ্যমে ফ্ল্যাট বরাদ্দ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
র‍্যাব থেকে এসআরবি : নাম পরিবর্তনই কি সমাধান ? চসিক এর অনুপ্রবেশ ও ব্যক্তিগত সম্পত্তির উপরে রাস্তা নির্মাণ অবৈধ দাবী ভূমি মালিকের কক্সবাজার জেলার গোলরক্ষক সাঈদীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে চকরিয়া মানববন্ধন চকবাজারে সিএনজিতে ৩,৯২০ ইয়াবা  চালক আটক, জব্দ অটোরিকশা সোনারগাঁওয়ে দৈনিক ইত্তেফাকের সংবাদদাতা অসিত কুমার দাসকে অব্যাহতি পটুয়াখালীতে মাদক ডাকাতিসহ ৯ মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী আবুল বাসার গ্রেপ্তার ‎​ভুয়া বয়সের সনদ ও শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য গোপন করে সরকারি চাকরির অভিযোগ: অনুসন্ধানে সত্যতা উন্মোচিত দুমকিতে পায়রা নদীর তীব্র ভাঙন: নিঃস্ব হয়ে গ্রাম ছাড়ছেন বাসিন্দারা গোলখালী ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রশাসক নিয়োগের দাবি ঠাকুরগাঁও (৫০ বিজিবি) নাগরভিটা বিওপির বিজিবি কর্তৃক আসামিসহ মাদক আটক

কক্সবাজার খুরুশকুলে ৭৩০ পরিবারের জন্য সম্পূর্ণ ফ্রিতে লটারির মাধ্যমে ফ্ল্যাট বরাদ্দ

reporter রফিকুল ইসলাম সিরাজী
calendar প্রকাশিত: ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ

কথায় আছে স্বপ্ন দেখতেও টাকা লাগে। তাদের টাকা ছিলো না, তাই ফ্ল্যাটের মালিক হওয়ার স্বপ্ন তো দূরের কথা, কেউ কখনও ভাবেন নি মাথার উপর পলিথিনের ছাদটুকুও পাকাপোক্ত হতে পারে। তাদের সবাইকে ‘চাটগাাঁইয়া’ বলা যায়। যেহেতু চট্টগ্রামের ভাষায় কথা বলেন। কক্সবাজারের সরকারি খাসজমিতে কেউ থাকতেন রাস্তায়, কেউ বা বস্তিতে!

পলিথিন দিয়ে মোড়ানো ঘরে বৃষ্টি হলেই গায়ের উপর গড়িয়ে পড়তো পানি। কেউ কেউ এসেছেন দ্বীপ উপজেলা থেকে। কারও কারও ঘরবাড়ি চিরতরে হারিয়ে গেছে ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের বন্যায়। তাদের অনেকে এখন ফ্ল্যাটের মালিক হয়েছেন সৌভাগ্যক্রমে। কিভাবে? খুরুশকুলে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৭৩০টি পরিবারের মধ্যে ফ্ল্যাট বরাদ্দের লটারি অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুই হাজারের বেশি জলবায়ু উদ্বাস্তু অংশ নেন। অধিকাংশ উপকারভোগী অতিদরিদ্র ও শ্রমজীবী পরিবারের সদস্য!

কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য চার হাজারের বেশি উদ্বাস্তু পরিবারকে সরিয়ে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বাঁকখালী নদীর পূর্ব পাশে খুরুশকুলে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড (ইসিবি) ১ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পের আওতায় ১২৮টি পাঁচতলা ভবন ছাড়াও সড়কবাতি, মসজিদ, মন্দির, কমিউনিটি সেন্টার, সাইক্লোন শেল্টার ও মার্কেট কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়েছে। নদীপথে যোগাযোগের জন্য একাধিক সেতু ও জেটি নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি গড়ে তোলা হয়েছে শুঁটকিমহাল। সেখানে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা সরাসরি মাছ এনে শুঁটকি করতে পারবেন।

২০২০ সালের ডিসেম্বরে শুরু হওয়া প্রকল্পটি চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। পুরো প্রকল্পে ৪ হাজার ১২৮ পরিবারের স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা হবে। প্রতিটি পাঁচতলা ভবনে ৩২টি করে ফ্ল্যাট রয়েছে। এর মধ্যে ১২২টি ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। বাকি ভবনের কাজও শেষ পর্যায়ে। এর আগে ১৯টি ভবনে ৬০০ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় ৭৩০ পরিবারের জন্য ভবন ও ফ্ল্যাট নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট পরিবারগুলোকেও পর্যায়ক্রমে একই প্রক্রিয়ায় পুনর্বাসন করা হবে!

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com